মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের ভেতরেই অবৈধভাবে মদ বিক্রি এবং সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনায় বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক কেএএম হাফিজুর রহমানকে কঠিন কোনও শাস্তি না দিয়ে কেবল তাৎক্ষণিক বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) বিকেলে বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের ওয়েবসাইটেও এই বদলি সংক্রান্ত অফিস আদেশ জানানো হয়েছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের মহাপরিচালকের পক্ষে উপ-পরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ মামুন স্বাক্ষরিত ওই অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, কেএএম হাফিজুর রহমানকে ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয়ে অতিরিক্ত পরিচালক পদে আগামী ২৬ এপ্রিলের মধ্যে যোগদান করতে হবে।
শনিবার লকডাউন উপেক্ষা এবং জনসমাগম করে অবৈধভাবে মদ বিক্রির অভিযোগ ওঠে বরিশাল মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে। খবর পেয়ে একটি বেসরকারি টেলিভিশনের ক্যামেরাম্যান ওই ঘটনার ছবি তুলতে যায়। এ সময় সেখানকার উপস্থিত কর্মচারীরা ওই ক্যামেরাম্যানকে ধরে অফিসে নিয়ে নির্যাতন করে।
খবর পেয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত র্যাবের সহায়তায় সেখানে উপস্থিত হয়। পরে গণমাধ্যমকর্মীরা সেখানে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। এ বিষয়ে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের পক্ষ থেকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়।
এ ঘটনায় দায়িত্বরত বরিশাল মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের বিভাগীয় কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক কেএএম হাফিজুর রহমানের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করা হয় সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে। তবে ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তার শুধু বদলির আদেশ জারি করে কেন্দ্রীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর।








