হবিগঞ্জে নগদ সহায়তার তালিকা নিয়ে অনিয়ম, তদন্ত কমিটি গঠন

Send
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ০২:০৭, মে ১৭, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ০২:১২, মে ১৭, ২০২০




হবিগঞ্জকরোনা পরিস্থিতিতে নিম্ন আয়ের ও অসহায় মানুষকে সরকার নগদ সহায়তা হিসেবে দেবে ২৫০০ টাকা। তবে সুবিধাপ্রাপ্তদের তালিকা নিয়ে উঠেছে নানা অভিযোগ। হবিগঞ্জ জেলার এক ইউনিয়নের তালিকায় ৩০৬ জন উপকারভোগীর নামের বিপরীতে ব্যবহার হয়েছে ইউপি চেয়ারম্যানের স্বজনদের চারটি মোবাইলফোন নম্বর। 

শনিবার (১৬ মে) সন্ধ্যায় এ ঘটনার তদন্তে হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান জেলার স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মো. নুরুল ইসলামকে প্রধান করে এক সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করেন। এছাড়া যে সব ইউনিয়নে খসড়া তালিকায় অনিয়ম পাওয়া গেছে তা সংশোধনের নির্দেশ দেন। ফেসবুকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দেওয়া এক পোস্টেও এ তথ্য জানানো হয়।

ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলাধীন ৩ নম্বর মুড়িয়াউক ইউনিয়নের সহায়তা কর্মসূচির আওতায় প্রাথমিকভাবে তৈরি করা খসড়া তালিকায় অসঙ্গতি পাওয়া গেছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে উক্ত ইউনিয়নের তৈরি করা তালিকা পুনরায় যথাযথভাবে করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের তালিকা সংশ্লিষ্ট সফটওয়্যারে আপলোড করা হবে যা আইসিটি ডিভিশন এবং অর্থবিভাগ ক্রসচেক করে চূড়ান্ত করবে।

তালিকা প্রণয়নে কোনও অনিয়ম, স্বজনপ্রীতির প্রমাণ মিললে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য জেলার স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলেও পোস্টে জানানো হয়।

জেলার স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মো. নুরুল ইসলাম বলেন, আমি এখনও আনুষ্ঠানিক চিঠি পাইনি। চিঠি পেলে কাজ শুরু করবো।

এ বিষয়ে হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান জানান, ইতোমধ্যে অনিয়মের বিষয়টি সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তদন্তে কারও বিরুদ্ধে অনিয়ম পাওয়া গেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উল্লেখ্য, জেলার লাখাই উপজেলার মুড়িয়াউক ইউনিয়নে এক হাজার ১৭৬ জনের তালিকা প্রণয়ন করা হয়। তালিকা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, তালিকায় ৩০৬ জনের বিপরীতে ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম মলাইয়ের আত্মীয় স্বজনের চারটি মোবাইল নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হলে পুরো জেলায় তোলপাড় শুরু হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিষয়টি ভাইরাল হয়।

 

/টিটি/

লাইভ

টপ
X