স্বামী-শ্বশুর-শাশুড়ি মিলে গৃহবধূকে হত্যা

Send
নীলফামারী প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ২১:১৭, মে ৩০, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ২১:১৭, মে ৩০, ২০২০

নীলফামারী

নীলফামারীতে চাঞ্চল্যকর মিনা রানী ঋষি ওরফে সাথী (২০) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন এবং জড়িত তিন জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলো- স্বামী তিমোথিয়, কাকি শ্বাশুড়ি মিনতি রানী ও শাশুড়ি শিউলী রানী। তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত শ্বশুর গণেশ রায়কেও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

শনিবার (৩০ মে) দুপুরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোখলেছুর রহমান।

তিনি জানান, গত বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সদরের খোকশবাড়ি ইউনিয়নের হালিরবাজার এলাকার মনির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের পেছন থেকে এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত মিনা দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ থানার শিবরামপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপাড়া এলাকার মৃত ভোম্বল ঋষীর মেয়ে। গত দুই বছর আগে খোকশাবাড়ি ইউনিয়নের হালিরবাজার এলাকার গণেশ রায়ের ছেয়ে তিমোথিয়ের সঙ্গে বিয়ে হয় তার। বিয়ের পর থেকে পারিবারিক অশান্তি লেগেই ছিল তাদের। এনিয়ে বিভিন্ন সময় গ্রাম্য বৈঠকও হয়। তদন্তে দেখা গেছে, স্বামীর অন্য মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক, সন্তান নেওয়ার অনীহাসহ বিভিন্ন কারণে বুধবার (২৭ মে) রাতে বাবার বাড়িতে যাওয়ার জন্য বের হয়ে যায় মিনা। এরই মধ্যে স্বামী তিমোথিয়, শাশুড়ি শিউলি ও কাকি শাশুড়ি মিনতি রানী মিনাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।

পুলিশ সুপার আরও জানান, পুলিশ ও সিআইডির তদন্ত শেষে নিশ্চিত হওয়া যায় পারিবারিক কারণেই তাকে হত্যা করা হয়। হত্যাকাণ্ডের এই ঘটনায় মিনার ভাই সুকুমার ঋষী বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। শুক্রবার বিকালে (২৯ মে) গ্রেফতার আসামিদের আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

 

 

/এএইচ/

লাইভ

টপ