ভাঙন বাড়ছে তিস্তা পদ্মা যমুনায়

Send
বাংলা ট্রিবিউন ডেস্ক
প্রকাশিত : ২৩:৪১, জুলাই ০৫, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ২৩:৪২, জুলাই ০৫, ২০২০

টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব তীর রক্ষা বাঁধে ভাঙন।

দেশের উত্তরপ্রান্ত দিয়ে ভারত থেকে ঢোকা নদীগুলোতে পানির প্রবাহ কিছুটা কমেছে। ফলে বেশিরভাগই বিপৎসীমার নিচে অবস্থান করছে। তিস্তা, ধরলা, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, পদ্মা ও হাওর অঞ্চলের সুরমা নদীর পানি আগের তুলনায় খানিকটা কমেছে। তবে নদী পানিতে টইটুম্বুর হওয়ায় নদীর পাড়গুলোতে দেখা দিয়েছে ভাঙন। যমুনায় বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব তীর রক্ষা বাঁধে ভাঙন শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে ২৫টি ভিটেবাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এদিকে, তিস্তার পানি ওঠানামায় ডিমলার ছয় ইউনিয়নে বন্যা দেখা দিয়েছে। ইউনিয়নের কিসামত ছাতনাই ও ঝুঁনাগাছ চাঁপানী ইউনিয়নের ছাতুনামা, ভেন্ডাবাড়ী ও ফরেস্টের চড়েরর আশপাশ এলাকায় ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে ক্ষতির মুখে পড়েছে এলাকার ১০ হাজার পরিবার। টেপাখড়িবাড়ী ও খালিশাচাঁপানি এলাকার চারটি পরিবারের বসতঘর নদীগর্ভে তলিয়ে গিয়েছে। এদিকে আপাতত কয়েকদিন নিরাপদ থাকলেও ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে আবারও জোরেশোরে বর্ষা নামায় উজানি ঢলের কারণে নদীগুলোতে পানির প্রবাহ বাড়ার আশঙ্কা করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। তাদের আশঙ্কা, আগামী মধ্য জুলাইয়ে শের বন্যা পরিস্থিতির আবারও অবনতি হতে পারে।

টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব তীর রক্ষা বাঁধে ভাঙন। ভেঙে নদীতে পড়েছে গাছপালা।

বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব তীর রক্ষা বাঁধে ভাঙন, ২৫টি ভিটেবাড়ি নদী গর্ভে বিলীন

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি জানান, বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব তীর রক্ষা বাঁধে ভাঙন শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে ২৫টি ভিটেবাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। শনিবার (৪ জুলাই) রাতে কালিহাতী উপজেলার গোহালিয়াবাড়ি ইউনিয়নের বেলটিয়া উত্তরপাড়া এলাকায় এই ভাঙন শুরু হয়।

জানা যায়, চলতি অর্থবছরে সেতু কর্তৃপক্ষ বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব কালিহাতী উপজেলার গোরিলাবাড়ি থেকে বেলটিয়া পর্যন্ত ৪৫৫ মিটার এলাকায় তীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করে। বাকি অংশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্মাণ করার কথা ছিল। কিন্তু, পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্মাণ করেনি। পরে শনিবার (৪ জুলাই) রাতে বেলটিয়া উত্তরপাড়া এলাকায় তীর রক্ষা বাঁধের শেষ অংশে ভাঙন শুরু হয়। ওই রাতে এ ভাঙনে প্রায় ২৫টি ভিটেবাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে বসতি। উদ্বাস্তু হচ্ছেন নদীপাড়ের মানুষ।

এদিকে খবর পেয়ে ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেন স্থানীয় এমপি হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারীসহ সংশ্লিষ্টরা। এসময় এমপি হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারী বলেন, ‘ভাঙনের বিষয়টি পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়েছে। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, দুই একদিনের মধ্যে ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করবেন। এরপরই যতদ্রুত সম্ভব ভাঙনরোধে কাজ করা হবে।’

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের বঙ্গবন্ধু সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী এহসানুল কবির পাভেল বলেন, ‘সম্প্রতি বঙ্গবন্ধু সেতু থেকে আড়াই কিলোমিটার দূরে বেলটিয়া এলাকায় তীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা হয়। সেখানে বাকি অংশটুকু পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাজ করার কথা ছিল। কিন্তু এর আগেই বাঁধের ৩৫ মিটার অংশ ভেঙে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’

যমুনার সর্বগ্রাসী ভাঙন

টাঙ্গাইলের পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘ভাঙন রোধে প্রাথমিকভাবে সেখানে জিও ব্যাগ ফেলা হবে। এরপর অনুমোদন পেলে আগামী মৌসুমে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা হবে।’

ডিমলায় তৃতীয় দফা বন্যায় ব্যাপক ভাঙনের শিকার এলাকাবাসী

নীলফামারী প্রতিনিধি জানান,নীলফামারী ডালিয়া পয়েন্টে শনিবার (৫ জুলাই) দুপুর পর্যন্ত বিপৎসীমার ২৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে বন্যার পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

শুক্রবার (৪ জুলাই) সকাল ৯টায় ওই পয়েন্টে বিপৎসীমার (৫২ দশমিক ৮২) ২২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। ব্যারাজের বিপৎসীমা (৫২ দশমিক ৬০ সেন্টিমিটার)। পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম এ  তথ্য নিশ্চিত করেন।

গত ২০জুন উজানের পাহাড়ি ঢলে আর ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। আবার ২৬ জুন তিস্তার পানি দ্বিতীয় দফায় বিপৎসীমার ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এরপর কমলেও তৃতীয় দফায় শুক্রবার (৪ জুলাই) বিপৎসীমার ২২ সেন্টিমিটার দিয়ে প্রবাহিত হয়। বন্যার পানি সামাল দিতে ব্যারাজের ৪৪ টি  স্লুইস গেট খুলে রেখেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

ব্যারাজের গেজ পাঠক (পানি পরিমাপক) নূরুল ইসলাম জানান, গতকাল ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ২২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হলেও আজ শনিবার সকাল থেকে বিপৎসীমার ২৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

হঠাৎ পাওয়া তীব্রস্রোতে ফুঁসে উঠেছে তিস্তা। ডালিয়া অংশে দেখা দিয়েছে ভাঙন।

উপজেলার খগাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম লিখন জানান, তিস্তার পানি ওঠানামায় ডিমলার ছয় ইউনিয়নে বন্যা দেখা দিয়েছে। এদিকে, ইউনিয়নের কিসামত ছাতনাই ও ঝুঁনাগাছ চাঁপানী ইউনিয়নের ছাতুনামা, ভেন্ডাবাড়ী ও ফরেস্টের চড়েরর আশপাশ এলাকায় ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে ক্ষতির মুখে পড়েছে এলাকার ১০ হাজার পরিবার।

উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিশা চাপানী, ঝুনাগাছ চাঁপানী ইউনিয়নের ১৫ টি চর ও চর গ্রামের বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। ওই সব এলাকার বসবাসকারীরা নিরাপদে উঁচু স্থানে সরে গেছে। তিনি জানান, টেপাখড়িবাড়ী ও খালিশাচাঁপানি এলাকার চারটি পরিবারের বসতঘর নদীগর্ভে তলিয়ে গিয়েছে।

এলাকাবাসী জানায়, কিশামত ছাতনাই গ্রামে প্রচণ্ডভাবে তিস্তার ভাঙন শুরু হয়েছে। ওই গ্রামে প্রায় তিনশত পরিবারের বসবাস। এরমধ্যে ৫০ টি পরিবার বাঁধের ওপর বসবাস করছে। নাউতারা নদীর ধারে ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে। ৬টি পয়েন্টে ওই নদীর ভাঙনে এরই মধ্যে ৫০ বিঘা আবাদি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। এ ছাড়াও এলাকাবাসীর চলাচলের জন্য নদীর ওপর একটি কাঠের সাঁকো পানির তোড়ে ভেসে গেছে। তলিয়েছে ব্যাপক ফসলি জমি ও বীজতলা।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম জানান, উপজেলার নাউতারা নদীর ধারে ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে। ৬টি পয়েন্টে ওই নদীর ভাঙনে এরইমধ্যে ৫০ বিঘা আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এ ছাড়াও এলাকাবাসীর চলাচলের জন্য নদীর ওপর একটি কাঠের সাঁকো পানির তোড়ে ভেসে গেছে। বন্যার পানি সামাল দিতে ব্যারাজের ৪৪ টি স্লুইস গেট খুলে রেখেছে পাউবো।

ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জয়শ্রী রাণী রায় জানান, ছয় ইউনিয়নের ৩ হাজার ২৪৫ পরিবারকে ১৫ কেজি করে চাল ও শুকনা খাবার বিতরণ করা হয়। এরপর তিস্তার ভাঙনে বসতভিটা হারানো ৭৫ পরিবারকে নগদ ২ হাজার টাকা প্রদান করা হয়।

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি জানান, কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র ও ধরলার পানি ধীর গতিতে কমতে থাকায় জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। নদ-নদীর তীরবর্তী চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলের ঘর বাড়ি থেকে পানি নামতে শুরু করলেও দুর্ভোগ কমেনি বন্যা দুর্গতদের। চলমান করোনা ও বন্যা পরিস্থিতিতে হাতে কাজ না থাকায় খাদ্য সংকটে পড়েছেন বন্যাকবলিতরা। এ অবস্থায় সরকারি ও বেসরকারি সহযোগিতার দিকে তাকিয়ে থাকলেও অপ্রতুল ত্রাণে খাদ্য কষ্টে রয়েছে বানভাসি পরিবারগুলো।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ জানায়, রবিবার (৫ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টায় ব্রহ্মপুত্রের পানি কমে নুনখাওয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। চিলমারী পয়েন্টে কমে বিপৎসীমার ২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ধরলার পানি কমলেও সেতু পয়েন্টে এখনও বিপৎসীমার ৪৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে আগামী দুইদিনের পূর্বাভাসে পানি বাড়ার সম্ভাবনা নেই বলে জানায় পানি উন্নয়ন বোর্ড।

এদিকে চলমান বন্যার পানি কমে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও এক সপ্তাহের বিরতি দিয়ে আবারও বন্যার আশঙ্কা করছে স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড।

বন্যায় ডুবে গেছে জনপদ। গবাদি পশুর খাদ্য সংকট হয়েছে তীব্র।

প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম জানান, আগামী এক সপ্তাহ পানি বাড়ার তেমন আশঙ্কা না থাকলেও মধ্য জুলাইয়ে (১৫-২০ জুলাই) আবারও উজানের ঢল ও বৃষ্টিপাতে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। তবে এতে সহসাই আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।

জেলার নদ-নদী অববাহিকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বন্যা কবলিত এলাকায় শিশু ও গবাদি পশুর খাদ্য নিয়েও বিপাকে পড়েছেন বানভাসি মানুষেরা। উলিপুর উপজেলার সাহেবের আলগা ইউনিয়নের জাহাজের আলগা গ্রামের আমান আলী, রহমত আলী জানান, নিজেদের পাশাপাশি গবাদি পশু নিয়ে বিপাকে পড়েছে বানভাসি পরিবারগুলো। অনেকে আসন্ন কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে গরু পালন করলেও বন্যার কারণে পশর কাঙ্ক্ষিত দাম নিয়ে আশঙ্কায় রয়েছেন তারা।

এদিকে চলমান বন্যায় সরকারিভাবে খাদ্য ও নগদ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় নগণ্য বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নগুলোর জনপ্রতিনিধিরা।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম জানান, বন্যা শুরুর পরপরই জেলার বন্যা কবলিত মানুষের মাঝে সরকারি ৩০২ মেট্রিক টন চাল ও ৩৬ লাখ ৬৮ হাজার টাকার শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। নতুন করে ২০০ মেট্রিক টন চাল, ২ লাখ টাকা ও ২ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার বরাদ্দ পাওয়া গেছে। যা বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

মধ্য জুলাইয়ে বন্যার পূর্বাভাস ও তা মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের প্রস্তুতি সম্পর্কে জেলা প্রশাসক বলেন, ‘ আগামীতে বন্যা মোকাবিলায় মানুষের জন্য খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি গো খাদ্য সহায়তার বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলে অনুরোধ করা হয়েছে। আশাকরি আমরা তা পেয়ে যাবো। পাশাপাশি কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে চরাঞ্চলের গবাদি পশুর বাজারজাত করণে সর্বাত্মক সহায়তা করারও পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।’

নদী ভাঙনে ভিটা হারিয়ে নৌকায় ঘরের মালামাল নিয়ে অজানার উদ্দেশ্যে যাত্রা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এক উদ্বাস্তু

ফরিদপুর সংবাদদাতা জানিয়েছেন, জেলার চরভদ্রাসন উপজেলা পদ্মা নদীতে শনিবার বন্যার পানি বিপদ সীমার প্রায় ৫০ সে.মি. ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এতে উপজেলার চরঝাউকান্দা ইউনিয়নের প্রায় সাড়ে ৩শ’ বসত বাড়ি পানিতে ভাসছে বলে জানা গেছে।

বন্যা কবলিত পরিবারগুলো দুয়োরের মাঝ দিয়ে বাশের সাঁকো বানিয়ে নৌকা বা ভেলা দিয়ে যাতায়াত করছে। এছাড়া গ্রামগুলোর অধিকাংশ বসতঘরের মধ্যে বন্যার পানি ঢুকে পড়ার কারণে বাঁশের মাঁচা তৈরি করে বা উঁচু করে চৌকি বসিয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে খেয়ে না খেয়ে অতি কষ্টে জীবন যাপন করেছে। গৃহস্থ পরিবারের গোয়ালঘরগুলো প্লাবিত হওয়ার ফলে কাঁশবন কেটে এনে গরু রাখার স্থানে ডিবি তৈরি করে চরম ঝুঁকির মধ্যে গবাদি পশুগুলো রাখা হয়েছে।

উপজেলার চরঝাউকান্দা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ফরহাদ হোসেন মৃধা বন্যা দুর্গতদের খাবার দিতে না পারলেও ব্যক্তি তহবিল থেকে প্রতি বাড়িতে একটি করে সাবান ও কিছু শিশু খাদ্য বিতরণ করছেন।

 

/টিএন/

লাইভ

টপ