একই ব্যক্তি সোমবার পজিটিভ বুধবার নেগেটিভ!

Send
জয়পুরহাট প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ০২:৪৩, জুলাই ০৭, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ০২:৫০, জুলাই ০৭, ২০২০

করোনাভাইরাস (গ্রাফিক্স: মারুফ রেহান)

দুইদিনের ব্যবধানে করোনা ভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা করিয়ে একই ব্যক্তি দু’ধরনের রিপোর্ট পেয়েছেন। গত সপ্তাহের সোমবার তিনি যে নমুনা জমা দেন সেখানে রিপোর্ট পজিটিভ এলেও বুধবারের ভিন্ন স্থানে দেওয়া নমুনার রিপোর্ট এসেছে নেগেটিভ। জয়পুরহাটের আক্কেলপুর পৌর শহরের পুরাতন বাজার এলাকার ওমপ্রকাশ আগরওয়ালা নামের এক সংবাদকর্মীর ক্ষেত্রে এ ঘটনা ঘটেছে। দুইদিনের ব্যবধানে এমন রিপোর্ট পেয়ে তিনি চরম সংশয় প্রকাশ করেন।

জানা গেছে, সংবাদকর্মী ওমপ্রকাশ আগরওয়ালা গত ২৯ জুন (সোমবার) সস্ত্রীক আক্কেলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনাভাইরাস পরীক্ষার নমুনা দেন। এরপর ১ জুলাই (বুধবার) তিনি নিজে জয়পুরহাট প্রেসক্লাবে ভবনে এসেও নমুনা দেন।

মঙ্গলবার (৬ জুলাই) রাত ন’টায় ঢাকার ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি মেডিসিন অ্যান্ড রেফারেন্স সেন্টার থেকে ২৯ জুন থেকে ৩ জুলাই পর্যন্ত পাঠানো ৩৯২ নমুনা পরীক্ষার  প্রতিবেদন আসে জেলার সিভিল সার্জন কার্যালয়ে। ওই ফলাফল পেয়ে রাতেই আক্কেলপুর হাসপাতাল থেকে একজন স্বাস্থ্যকর্মী তাদের সস্ত্রীক করোনাভাইরাস পজিটিভ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। একইসঙ্গে তার জয়পুরহাট প্রেসক্লাবে দেওয়া নমুনা পরীক্ষার ফলও পাওয়া যায়। তবে সেটিতে নেগেটিভ রিপোর্ট আসে।

দুইদিনের ব্যবধানে একই ব্যক্তির পজিটিভ ও নেগেটিভ ফল দেখে বিষ্ময় প্রকাশ করেন জয়পুরহাট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক খ.ম আব্দুর রহমান রনি। তিনি বলেন, এমনিতেই ১০ থেকে ১৫ দিন পর নমুনার ফল পাওয়া নিয়ে মানুষের মধ্যে শঙ্কা কাজ করছে। সেখানে এমন ফল দেখে মানুষের মনে শঙ্কা আরও ঘনীভূত হবে।

রাত ১০.২৩ টার সময় জেলার সিভিল সার্জন ডা. মো. সেলিম মিয়ার সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন না ধরায় তার মন্তব্য জানা যায়নি।

তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা বলেন, গরম পানি অথবা চা, কফি পান করে নমুনা দিলে সেখানে ফলাফলের পরিবর্তন আসতে পারে।

সংবাদকর্মী ওমপ্রকাশ আগরওয়ালা বলেন, ‘সোমবার পজিটিভ আর বুধবার নেগেটিভ ফলাফল পেয়ে কিছু বুঝতে পারছি না। তবে সাতদিন হোম আইসোলেশন এ থাকার পর বগুড়ার টিএমএসএস বেসরকারি হাসপাতালে আরও একবার নমুনা পরীক্ষা করাবো বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। 

জেলায় এ পর্যন্ত করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৫১১ জন। সুস্থ হয়েছেন ২২৮ জন। নমুনা সংগ্রহ হযেছে ৮ হাজার ১৯টি এবং ফলাফল পাওয়া গেছে ৭ হাজার ৭২২ জনের।

 

/টিএন/

লাইভ

টপ