শেখ হাসিনা একজন সাহসী, বিচক্ষণ এবং দূরদর্শী নেত্রী: স্পিকার

Send
নেত্রকোনা প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১৯:৩৩, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ২০:২৩, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২০

 



প্রধানমন্ত্রী ও স্পিকার (ফাইল ছবি)জাতীয় সংসদের মাননীয় স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একজন সাহসী, বিচক্ষণ এবং দূরদর্শী সম্পন্ন নেত্রী। তিনি তার পিতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে গত ৩৯ বছর যাবত অবিরাম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে নেত্রকোনা শেখ হাসিনা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।


এ সময় স্পিকার আরও বলেন, শেখ হাসিনা ৭৫ এর দুঃখজনক কালো রাতকে বুকে ধারণ করেই রাজনীতিতে এসেছেন। তখন তার স্বপ্ন সাধনা একটাই ছিল যে, বঙ্গবন্ধুর অপূর্ণ স্বপ্ন সোনার বাংলাকে বিনির্মাণ এবং তা বাস্তবায়ণ করা, নিজের দলকে সুসংগঠিত করা। প্রতি মুর্হূতে মৃত্যু ঝুঁকি এবং পদে পদে বাধা অতিক্রম করেই তিনি বাংলার মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

শিরিন শারমীন চৌধুরী বলেন, শেখ হাসিনার সংগ্রাম ছিল, দেশের ভূলুন্ঠিত গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা করা। অর্থনৈতিকভাবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। তিনি সেই লক্ষ্যেই এগিয়ে চলেছেন। প্রধানমন্ত্রীর নিরলস পরিশ্রমের কারণে দেশ আজ বিশ্বের বুকে উন্নয়নের বিস্ময়। কিন্তু একদিনে তা হয়নি। তিনি দারিদ্রের হাত থেকে মানুষকে মুক্ত করার জন্য কাজ করে চলেছেন। দেশে শতভাগ বিদ্যুতের ব্যবস্থা করেছেন। খাদ্য নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছেন। ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণের কাজ করছেন। শেখ হাসিনার পক্ষেই সম্ভব ছিল, সমুদ্র বিজয় এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনার কারণেই দেশের অর্থনীতি সুদৃঢ রয়েছে বলে আজ নিজস্ব টাকায় পদ্মা সেতু নির্মিত হচ্ছে। শেখ হাসিনা সংকটে পিছপা হন না, কোনও চাপের কাছে নতি স্বীকার করেন না। তিনি শুধু আজ বাংলা দেশের নেত্রী নন, সারা বিশ্বের নেত্রী।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. রফিক উল্লাহ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ও নেত্রকোনার সংসদ সদস্য আশরাফ আলী খান খসরু। এ সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রতিটি মানুষের কথা ভাবেন। তাই তিনি মানুষের মৌলিক চাহিদা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাসস্থান, অন্ন, বস্ত্র সকল কিছুর কথা ভেবে সবাইকে সাধারণ মানুষ ও দেশবাসীর জন্য সেবামূলক কাজ করার নির্দেশ প্রদান করেন। নেত্রকোনাবাসীর পক্ষ থেকে মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ও প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব ও বর্তমান বিমান বাংলাদেশের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান সাজ্জাদুল হাসান বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী একজন বিচক্ষণ প্রধানমন্ত্রী। তিনি কোনও সিদ্ধান্ত নিতে সময় ক্ষেপণ করেন না। দেশের মানুষের কল্যাণে যে কোনও সিদ্ধান্ত তাৎক্ষণিক গ্রহণ করেন ও তা দ্রুত সময়ে বাস্তবায়ন করেন। তার সকল উদাহরণ দেশের সাধারণ মানুষের মাঝে সুস্পষ্ট। আমরা নেত্রকোনাবাসী জননেত্রী দেশের সফল ও উন্নয়নের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার ‘শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়’, ‘নেত্রকোনা মেডিক্যাল কলেজ’সহ আরও উল্লেখযোগ্য অনেক উন্নয়নের কথা কোনও দিন ভুলবো না। তিনি নেত্রকোনাবাসীর কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার ড. সুব্রত আদিত্য, সিন্ডিকেট সদস্য ড. অধ্যাপক ফকরুল আলম এবং রেজিস্ট্রার কাজী নাসির উদ্দিন।

/আরআইজে/

লাইভ

টপ