‘আওয়ামী লীগ বন্দুক পিস্তল দিয়ে গায়ের জোরে ক্ষমতায় টিকে আছে’

Send
নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
প্রকাশিত : ২২:২৮, অক্টোবর ৩১, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ২২:৩২, অক্টোবর ৩১, ২০২০

চট্টগ্রামে সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি সভাপতি ও চসিক মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন।

আওয়ামী লীগ জনগণের ভোটের অধিকার ছিনিয়ে নেয় মন্তব্য করে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ও চসিক মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, গণতন্ত্র নিয়ে আওয়ামী লীগের কথা বলার কোনও অধিকার নেই। আওয়ামী লীগের কোনও অধিকার নেই বাংলাদেশের জনগণকে প্রতিনিধিত্ব করার। বর্তমান সরকার সম্পূর্ণভাবে জনবিচ্ছিন্ন। তাদের কোনও দায়িত্বশীলতা নেই। প্রতিটি ক্ষেত্রে তারা মিথ্যাচার করছে। বর্তমান সরকারের সময় চারদিকে দুর্নীতি ছাড়া আর কিছু দেখা যায় না। তারা বন্দুক পিস্তল দিয়ে গায়ের জোরে ক্ষমতায় টিকে আছে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকালে ১১ নম্বর দক্ষিণ কাট্টলী ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে কাজীর দিঘী মোড়ে করোনার সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ ও মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন অবাধ, নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু করুন। তখন দেখা যাবে আপনারা কোথায় কে টিকে আছেন, কোথায় কেমন জনগণের দরদি হয়ে গেছেন ? কেন আপনারা ২০১৮ সালে আগের রাতে সব নির্বাচন করে নিয়ে চলে গেলেন? কেন ২০১৪ সালের নির্বাচনে কোনও দলই অংশগ্রহণ করল না? ১৫৪ জনকে অগ্রিম নির্বাচিত ঘোষণা করে দিয়ে আপনারা জনবিচ্ছিন্ন একটা সরকার প্রতিষ্ঠা করলেন?

তিনি আরও বলেন, এই অবস্থার শেষ হবে, শেষ হতে বাধ্য। বাংলাদেশের জনগণ কোনোদিনই পরাধীনতা মেনে তাদের অধিকারকে হারিয়ে তারা নিশ্চুপ থাকেনি। হয়তো সময় লেগেছে কিন্তু সেই সময়ের অবসান হয়েছে।

১১ নম্বর দক্ষিণ কাট্টলী ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক হাজী মো. সাইফুল আলমের সভাপতিত্বে প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর। এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক এস এম সাইফুল আলম, যুগ্ম সম্পাদক ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, সাংগঠনিক সম্পাদক মন্জুর আলম চৌধুরী মঞ্জু, মো. কামরুল ইসলাম, পাহাড়তলি থানা বিএনপির সভাপতি হাজী বাবুল হক, সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দীন জিয়া।

মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, সরকার একদলীয় শাসনব্যবস্থাকে প্রতিষ্ঠিত করতে সরাসরি পুলিশ বাহিনী নিয়ে তৃণমূলে চলে গেছে। দেশে নির্বাচনি ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। এ জন্য সম্পূর্ণভাবে নির্বাচন কমিশন ও সরকার দায়ী। নির্বাচন কমিশন শুধু ব্যর্থই নয়, তাদের যোগ্যতাই নেই। আমরা নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতার পরিবর্তনে বিশ্বাস করি বলেই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছি। কিন্তু, স্থানীয় সরকার ও উপনির্বাচনগুলোতে আবারও প্রমাণ হলো আওয়ামী লীগ বা দলীয় সরকারের অধীনে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি অনুযায়ী কখনই সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।

/টিএন/

লাইভ

টপ