লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের অধীনে ২ কোটি ৭৮ লাখ টাকার টেন্ডার ভাগাভাগির অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার দুপুরে টেন্ডারটি বাতিলের দাবিতে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সংবাদ সম্মেলন করেন ক্ষতিগ্রস্ত ঠিকাদাররা। এর আগে একই দাবিতে জেলা প্রশাসক ও জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তাকে লিখিত অভিযোগ দেন ঠিকাদাররা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে লালমনিরহাট পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ঠিকাদার নজরুল ইসলাম তপন বলেন, কালীগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার অধীনে ৮টি গ্রুপে মোট ২ কোটি ৭৮ লাখ টাকার টেন্ডার দরপত্র আহ্বান করা হয়। সে অনুযায়ী লালমনিরহাট জেলাসহ বিভিন্ন জেলার ঠিকাদাররা দরপত্র ক্রয় করে তা নির্ধারিত স্থানে জমা দেন। ঠিকাদারদের উপস্থিতিতে লটারি করার নিয়ম থাকলেও গত ১১ এপ্রিল কালীগঞ্জ প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে বিকাল ৪টায় গোপনে লটারি দেখিয়ে পছন্দের ঠিকাদারকে মনোনীত করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, দরপত্রসমূহ সঠিকভাবে যাচাই-বাছাই না করে এবং অধিকাংশ ঠিকাদারদের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ না করেই উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তার পছন্দের কতিপয় ঠিকাদারদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ওই টেন্ডারের লটারি সম্পন্ন করেন, যা বিধি বহির্ভূত। সংবাদ সম্মেলন থেকে সাধারণ ঠিকাদারেরা ওই টেন্ডারটি বাতিল ও পুনরায় দরপত্র আহ্বানের দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ঠিকাদার এনামুল হক, কাজী নজরুল ইসলাম, সোহেল রানা ও মতিয়ার রহমানসহ সাধারণ ঠিকাদাররা।
তবে এ টেন্ডার কার্যক্রমে কোনও রকম অনিয়ম বা দুর্নীতি হয়নি বলে দাবি করেন কালীগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) রশিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, অভিযোগকারীরা টেন্ডার না পেয়ে এ ধরনের মনগড়া অভিযোগ করেছেন।
লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান বলেন, ঠিকাদারদের লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, অভিযোগটি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন:
পটুয়াখালীতে জেলা পরিষদের হিসাব রক্ষককে পেটালেন ছাত্রলীগ নেতা
/এআর/টিএন/







