সার্ফারদের সাগরে জীবনরক্ষাকারী যোদ্ধা আখ্যায়িত করে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, সার্ফিং সবচেয়ে বেশি অবদান রাখবে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে। সার্ফিংয়ের মাধ্যমে সার্ফাররা কক্সবাজার তথা বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরছে। সার্ফিং যতই এগিয়ে যাচ্ছে কক্সবাজার পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে ততই সমাদৃত হচ্ছে। তাই সার্ফিংকে এগিয়ে নিতে সরকারের পাশাপাশি সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের লাবণী পয়েন্টে বাংলাদেশ সার্ফিং অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে তিন দিনব্যাপী ‘সার্ফিং টুর্ণামেন্ট- ২০১৬’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, সার্ফিং হচ্ছে পরিবেশবান্ধব একটি জলক্রীড়া। এই খেলাতে পর্যটকরা অতিমাত্রায় আনন্দ উপভোগ করে।
তিনি বলেন, কক্সবাজারে সার্ফিংয়ের নিয়মিত চর্চা হলেও এখনও দেশের মানুষ সার্ফিং সম্পর্কে তেমন জানে না। সার্ফিংকে এখনও বাংলাদেশের মানুষ বিভিন্ন বিদেশি টেলিভিশনের পর্দায় দেখছে। তাই চলতি পর্যটন বছরেই সার্ফিংকে বাংলাদেশের আনাচে কানাচে পরিচিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান মন্ত্রী।
আরও পড়তে পারেন: গাজীপুরের এসপিসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহারে ইসির চিঠি
বাংলাদেশ সার্ফিং অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কাজী ফিরোজ রশিদের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হাজী মোহাম্মদ ইলিয়াস এমপি, খোরশেদ আরা হক এমপি, পর্যটন করপোরেশনের যুগ্ম সচিব ড. মুহাম্মদ নাছির উদ্দিন, সার্ফিং ইন দ্যা নেশনের উদ্যোক্তা টম বাওয়ার, বাংলাদেশ সার্ফিং অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ড. অনুপম সাহা প্রমুখ।
তিন দিনব্যাপী জাতীয় সার্ফিং টুর্নামেন্টে তিনটি ক্যাটাগরিতে এবার ৯০ জন প্রতিযোগী অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে ১০ জন নারী প্রতিযোগী। ২১-২৩ এপ্রিল পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতায় বিচারক হিসেবে থাকছেন আমেরিকা, অষ্ট্রেলিয়া, কানাডা, সুইজারল্যান্ড ও সুইডেন থেকে সার্ফিং ইন দ্যা নেশনের উদ্যোক্তা টম বাওয়ারের নেতৃত্বে আগত ১৬ জন বিদেশি সার্ফার।
/বিটি/টিএন/








