আশুলিয়ায় চাঁদা
না দেওয়ায় এক যুবককে মিথ্যা মাদক মামলায় জেলহাজতে পাঠানোর দায়ে এএসআই রাশেদুল ইসলামকে পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহসিনুল কাদির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মিথ্যে মামলায় আটক যুবকের নাম বজলুর রহমান (৩০)। তিনি আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকার মো. ফজল হকের ছেলে ও স্থানীয় ভাই ভাই ক্যাবল অপারেটর নামক প্রতিষ্ঠানের কর্মী।
এ সম্পর্কিত খবর: পুলিশকে চাঁদা না দেওয়ায় যুবক জেলহাজতে!
এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহসিনুল কাদির বলেন, এর আগেও এই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ এসেছে। তাই এবার অভিযোগ পাওয়ার পর পরই বিষয়টি খতিয়ে দেখা হয়।
ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় ওই এএসআইকে পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
আরও পড়ুন: রংপুরে একসঙ্গে জন্ম নেওয়া ৫ সন্তানের ৩ জনের মৃত্যু
গত ১৩ এপ্রিল সকালে আশুলিয়ার পশ্চিম বাইপাইল এলাকার নিজ বাড়ি সংলগ্ন চায়ের দোকানে বসে চা খাচ্ছিলেন বজলুর রহমান। এ সময় আশুলিয়া থানা পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) রাশেদুল ইসলাম সিভিল পোশাকে তাকে আটক করে নিয়ে যান। পরে মুঠোফোনে তাদের নিকট বজলুরকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য দেড় লাখ টাকা দাবি করেন পুলিশের ওই কর্মকর্তা। পরে ২৮ হাজার টাকা সংগ্রহ করে এএসআই রাশেদুলের নিকট নিয়ে গেলে টাকার পরিমাণ কম দেখে ক্ষুব্ধ হয়ে তাদের ফিরিয়ে দেন পুলিশের ওই কর্মকর্তা। এরপর আটককৃত যুবককে থানায় দুই দিন আটকে রাখার পর গত ১৫ এপ্রিল তার বিরুদ্ধে মাদক বিক্রি ও বহনের অভিযোগে মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠান। এ ঘটনার পর ভুক্তভোগীর পরিবার ওই এএসআইয়ের বিরুদ্ধ সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করলে ঘটনাটি খতিয়ে দেখেন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
আরও খবর: আশুলিয়ার দুর্ধর্ষ সেই ব্যাংক ডাকাতির এক বছর
/এএ/







