পাবনার চাটমোহরে ইউপি নির্বাচনে ফলাফল ঘোষণাকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলাকারীদের ওপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে নিহতের ঘটনায় কোনও মামলা হয়নি। তবে সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে এক হাজার গ্রামবাসীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেফতার আতঙ্কে মথুরাপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রাম পুরুষ শূন্য হয়ে গেছে। এলাকায় বিরাজ করছে চরম থমথমে অবস্থা।
রবিবার সকালে বাহাদুরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্র্রের প্রিজাইডিং অফিসার আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছেন।
চাটমোহর থানার ওসি সুব্রত কুমার সরকার জানান, যেহেতু দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গুলি করেছে তাই এ ঘটনায় কোনও মামলা দায়ের হবে না।
রবিবার বেলা ১১টায় বাহাদুরপুর গ্রাম পরিদর্শন করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা, চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বেগম শেহেলী লায়লা, মথুরাপুর ইউনিয়নের নতুন চেয়ারম্যান সরদার আজিজুল হক, থানার ওসি সুব্রত কুমার সরকার।
এদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে নিহত এমদাদ হোসেন ইন্দার লাশ ময়নাতদন্ত শেষে বাহাদুরপুর গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে মথুরাপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটের ফল ঘোষণা করতে দেরি করেন প্রিজাইডিং অফিসার আলমগীর হোসেন। এতে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী ও এক মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকরা আগুন জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করে। এক পর্যায়ে পুলিশ ও বিজিবি সদস্যদের লক্ষ্য করে বিক্ষুব্ধরা ইট পাটকেল ছুঁড়ে বিজিবির একটি গাড়িতে হামলা করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিজিবিসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা প্রায় ১৫ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে এমদাদ হোসেন ইন্দা (৪৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত এবং বিজিবির নায়েক সুবেদার নুরুল ইসলামসহ ১০জন আহত হন।
আরও পড়ুন:
রাবি শিক্ষক হত্যার বিচার দাবি শাবি শিক্ষকদের
/এনএস/টিএন/








