পরাজিত প্রার্থী মেহেদুল ইসলাম মিস্টারের হামলা ও মামলার ভয়ে স্বপরিবারে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন বগুড়ার শিবগঞ্জের বিহার ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের নব-নির্বাচিত সদস্য রায়হান ইসলাম। বগুড়া প্রেসক্লাবে বুধবার দুপুরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে রায়হান এ অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচিত এ মেম্বার বলেন, গত দেড় মাস ধরে গ্রামে যেতে পারছি না। আদালতের নির্দেশের পরও পুলিশ আমার মামলা নিচ্ছে না, তারা প্রতিপক্ষের মামলা নিয়ে আমাদের হয়রানি করছে। আমার সমর্থকরাও এলাকায় যেতে পারছেন না।
অভিযোগ করে রায়হান ইসলাম বলেন, গত ৩১ মার্চ নির্বাচনে আমি ৫৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হই। আর মেহেদুল ইসলাম মিস্টার পান ৩১২ ভোট। মিস্টার তার পরাজয় কোনওভাবেই মেনে নিতে পারেননি। মিস্টার ও তার বাহিনীর সদস্যরা হামলা, হুমকি, ভাঙচুর, লুটপাট ও মামলাসহ নানাভাবে আমাদের নাজেহাল করছেন।
তিনি আরও বলেন, মিস্টার আমার কাছে নির্বাচনি ব্যয় ১০ লাখ টাকা দাবি করছে। টাকা না দেওয়ায় গত ২৪ এপ্রিল আগুন দিয়ে সে আমার হোটেল ও দোকান পুড়িয়ে দিয়েছে। এতে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। শিবগঞ্জ থানা এ ঘটনায় মামলা না নিলে আদালতের আশ্রয় নেওয়া হয়। আদালত মিস্টারসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগ এজাহার হিসেবে গ্রহণ করার নির্দেশ দিলেও পুলিশের কর্মকর্তারা তা অগ্রাহ্য করছেন।
অভিযুক্ত মেহেদুল ইসলাম মিস্টার তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, নির্বাচিত সদস্য রায়হান ও তার বাহিনীর দেওয়া আগুনে আমার দুটি দোকান পুড়ে গেছে। এতে ১১ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। রায়হানকে কোনও হুমকি দেওয়া হয়নি। সে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ভয়ে এলাকায় আসছে না।
শিবগঞ্জ থানার ওসি এ কে এম আহসান হাবিব জানান, নির্বাচিত সদস্য ও তার চার ভাই ভালো নন। তাদের দেওয়া আগুনে মেহেদুল ইসলাম মিস্টারের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আদালতের নির্দেশে রায়হানের মামলা তদন্ত চলছে।
আরও পড়ুন: ৬৯ আরোহী নিয়ে ফ্রান্স থেকে মিসরগামী বিমান নিখোঁজ
/এমও/








