বগুড়ার শাজাহানপুরের খরনা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের সদস্য প্রার্থী জাহিদুর রহমান জাহিদের কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী যুবলীগ নেতা আলমগীর হোসেন ও তার কর্মীরা। এতে নারীসহ আটজন আহত হয়েছেন। রবিউল ইসলাম নামে গুরুতর আহত একজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বুধবার সকালে কড়িআঞ্জুল গ্রামের এ ঘটনায় পুলিশ দু’জনকে আটক করেছে।
অভিযুক্ত আলমগীর হোসেন জানান, কিছু লোক তাকে মারতে এসেছিল। সমর্থকরা প্রতিহত করেছে। আর ভিড়ের মধ্যে কিভাবে একজন আহত হয়েছে তা জানা নেই।
আটক দু’জন হলেন শাজাহানপুর উপজেলার কড়িআঞ্জুল গ্রামের মৃত ছগির উদ্দিনের ছেলে সামস উদ্দিন মন্ডল (৫২) ও একই গ্রামের দুলু মিয়ার ছেলে রাকিব হোসেন (১৪)। পরে ভ্রাম্যমান আদালত তাদের ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন।
সদস্য প্রার্থী জাহিদ অভিযোগ করেন, বুধবার বেলা সাড়ে ১০টার দিকে কর্মীদের নিয়ে কড়িআঞ্জুল গ্রামে ভোট চাইতে যান। এ সময় বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন ও তার কর্মীরা হামলা চালায়। মারপিটে রবিউল, সিরাজুল, সাইদুর রহমান, জহুরুল, হান্নান, জবেদা বিবি, কল্পনা ও নাজমা আহত হন। গুরুতর আহত রবিউলকে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
জাহিদ আরও অভিযোগ করেন, প্রতিদ্বন্দ্বী আলমগীর হোসেন মঙ্গলবার বিকালে ২৭টি মোটরবাইকে সশস্ত্র ক্যাডারদের নিয়ে এসে তাকে হুমকি দেন এবং নির্বাচন থেকে সরে যেতে বলেন। অন্যথায় প্রাণনাশের হুমকি দেন। শাজাহানপুর থানার ওসি (তদন্ত) আবদুল হাকিম জানান, আটক দু’জনকে ভ্রাম্যমান আদালতে হাজির করলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাফিউল ইসলাম ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন।
যুবলীগ নেতা আলমগীর হোসেন সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা অস্বীকার করে জানান, জাহিদুর রহমানের কর্মীরা প্রথমে তার এক কর্মীকে মারপিট করে। এর জের ধরে উভয় পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে কেউ আহত হয়ে থাকতে পারে।
আরও পড়ুন-
/এফএস/







