
বগুড়ার ধুনট ডিগ্রি কলেজে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে জুনিয়র এক শিক্ষককে উপাধ্যক্ষ পদে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়োগে অর্থ বাণিজ্যের সঙ্গে গভর্নিং বডি ও অধ্যক্ষের যোগসাজোশ রয়েছে। তবে কলেজের অধ্যক্ষ আবু মারজন মোহাম্মদ শাহজাহান এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
কলেজের অধ্যক্ষ জানান, রবিবার নিয়োগ পরীক্ষা হয়েছে। এক্ষেত্রে কোনও আর্থিক লেনদেনের কথা তা জানা নেই। এছাড়া হাইকোর্ট নির্দেশ দিলেও পরিপত্র না হওয়ায় স্থানীয় সংসদ সদস্য এখনও এ প্রতিষ্ঠানের সভাপতি। এখন পর্যন্ত কোনও নিয়োগ হয়নি।
উপাধ্যক্ষ পদ প্রত্যাশী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষক অভিযোগ করেন, সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জে শিক্ষক লাঞ্ছিতের ঘটনায় হাইকোর্ট বেসরকারি স্কুল-কলেজেন গভর্নিং বডির সভাপতি পদে সংসদ থাকা অবৈধ ঘোষণা করেছেন। এরপরও বগুড়া-৫ আসনের সংসদ সদস্য হাবিবর রহমান ধুনট ডিগ্রি কলেজের সভাপতি। ২০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিতে অধ্যক্ষ ও অন্যরা রবিবার উপাধ্যক্ষ পদে পরীক্ষা নেয়। গভর্নিং বডির সদস্য ও অন্য একটি কলেজের শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম লিটনকে উপাধ্যক্ষ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।
একই কলেজের শিক্ষক আব্দুল আজিজের অভিযোগ, তিনি উপাধ্যক্ষ পদে নিয়োগ পেতে কিছুদিন আগে ৩ লাখ টাকা দিয়েছেন। ওই সময় কয়েকজন শিক্ষক আদালতের আশ্রয় নেওয়ায় তার নিয়োগ হয়নি। মামলাটি প্রত্যাহার হওয়ার পরও তিনি নতুন করে ২০ লাখ টাকা দিতে না পারায় গভর্নিং বডির সদস্যরা তাকে নিয়োগ দিতে রাজি হননি।
গভর্নিং বডির সভাপতি সংসদ সদস্য হাবিবর রহমানকে চেষ্টা করেও ফোনে পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন: চাঁদপুরে নিত্যপণ্য মূল্যের এলইডি বোর্ড উদ্বোধন
/এসটি/






