বগুড়ার সারিয়াকান্দির কামালপুর-গোসাইবাড়ি সড়কের কৈখালি সেতু সংস্কারের অভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে আছে। ঝুঁকি নিয়ে ওই সেতু দিয়ে হালকা ভারি সবধরনের যানবাহন চলাচল করছে। এতে যে কোনও সময় সেতুটি ধসে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। দু’বছর আগে গোদাখালিতে বাঁধভাঙা পানির প্রবল স্রোতে সেতুটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ গত ২০০১ সালে কৈখালি খালের ওপর প্রায় ২৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৩ মিটার কৈখালি সেতু নির্মাণ করে। ২০১৪ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর গোদাখালি গ্রামের কাছে যমুনা নদীর নির্মাণাধীন বাঁধ ভেঙে যায়। বাঁধা ভাঙা পানির তোড়ে কৈখালি সেতুর উত্তরপাশে কিছু অংশ ধসে যায়। দু’বছর পেরিয়ে গেলেও সেতুটি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এতে পার্শ্ববর্তী উপজেলা ধুনট, গোসাইবাড়ি-ভান্ডারবাড়ি, বুরুইল, দঁড়িপাড়া, পাইকরতলি, গজারিয়া হাওড়াখালিসহ প্রায় ১০ গ্রামের মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। সকলে ঝুঁকি নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৈখালি সেতুর ওপর দিয়ে মালামাল পারাপার করছেন। ভারি যানবাহনগুলোও অবাধে চলাচল করছে।
হাওড়াখালি গ্রামের আজিজার রহমান মণ্ডল জানান, পায়ে হেঁটে ও হালকা যানবাহন চলাচল করার জন্য সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ভারি যানবাহন চলাচল শুরু করে। বাঁধভাঙা পানির তোড়ে ক্ষতিগ্রস্ত সেতুর উপর দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে হালকা ও ভারি যানবাহন চলাচল করছে। যে কোনও সময় সেতু ভেঙে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
কামালপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হেদাইদুল ইসলাম জানান, দ্রুত সেতুটি ভেঙে নতুন করে নির্মাণ করা প্রয়োজন। সেতু ভেঙে গেলে ধুনট উপজেলার সাথে সারিয়াকান্দি উপজেলার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। সারিয়াকান্দি উপজেলা প্রকৌশলী শাহ্ মো. শহিদুল হক জানান, কামালপুর-গোসাইবাড়ি সড়কের সেতুটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ক্ষতিগ্রস্ত সেতুটি সংস্কারে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ এলেই কাজ শুরু করা হবে।
/এইচকে/আপ-এআর/








