দেশে চলমান জঙ্গি ও সন্ত্রাসী হামলার পরিপ্রেক্ষিতে রাজশাহীর মেসগুলোতে পুলিশের তরফ থেকে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। তবে মেসগুলোর নিজস্ব নিরপত্তা-ব্যবস্থা খুবই দুর্বল। এ ছাড়া মহানগর পুলিশ প্রশাসনের কাছে মেসের কোনও তালিকা নেই। তবে তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে বলে জানিয়েছে তারা।
রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) প্রশাসন শাখা ও ট্রেড লাইসেন্স শাখার সূত্র অনুযায়ী, মহানগরীতে মোট মেস আছে ১ হাজার ২৮৫টি। কিন্তু সনদ আছে-এমন মেসের সংখ্যা ৫০টির মতো।
নগরীর মালোপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির পার্শ্ববর্তী রাজাহাতা এলাকার আলফাজ শেখ বিপ্লব নামে এক ব্যক্তি দুটি মেস পরিচালনা করেন। একটি ছেলেদের, অন্যটি মেয়েদের। তিনি নিয়মিত মেসের সদস্যদের তথ্য সংগ্রহ করেন বলে দাবি করেন। তবে তার মেসে সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থা নেই।
সাহেববাজারের মাস্টারপাড়ায় অবস্থিত হাজী ভবন ছাত্রাবাস, রিভার ভিউ ছাত্রাবাস, এইচটি ছাত্রাবাস, মোল্লা ভবন ছাত্রাবাসসহ বেশকয়েকটি মেস আছে। মেসগুলোর সদস্য অনেক হলেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল।
হাজী ভবন ছাত্রাবাসের মালিক সেলিম শেখ দাবি করেন, ‘আমাদের মেসে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড হওয়ার কোনও সুযোগ নেই। প্রত্যেক বর্ডারের (সদস্য) গতিবিধি লক্ষ্য করে সিট ভাড়া দেওয়া হয়। তাদের আইডি কার্ডের ফটোকপি ও ছবি সংগ্রহ করে প্রশাসনের কাছে জমা দেওয়া হয়।’ ওই ছাত্রাবাসেও সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থা নেই।
রাজশাহী মহানগর পুলিশের কাছে মেসের তালিকা নেই। এ ব্যাপারে পুলিশের বিশেষ শাখার (সিটিএসবি) ইন্সপেক্টর রাশেদুল ইসলাম বলেন, ‘রাজশাহী শহরে কতোগুলো মেস আছে, তা এই মুহূর্তে বলা সম্ভব হচ্ছে না। পূর্ণাঙ্গ তালিকা এখনও আমাদের হাতে আসেনি। তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম চলছে।’ তবে নগরীর সবগুলো মেস নজরদারিতে আছে বলে দাবি করেন তিনি।
আরও পড়ুন: নারায়ণগঞ্জে স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা
/এআরএল/এআর/







