২৮ ডিসেম্বর জেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনায়ন পেতে শেষ মুহূর্তেও সবার দৃষ্টি দলটির সভানেত্রী শেখ হাসিনার দিকে।
স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দলের কাছে সমর্থন বা মনোনায়ন চেয়ে যারা আবেদন করেছেন তারা হলেন, মুক্তিযুদ্ধের স্থানীয় সংগঠক জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতা আনোয়ার হোসেন রতু, সাবেক মন্ত্রী বর্তমান জেলা পরিষদ প্রশাসক জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল লতিফ বিশ্বাস, সহ-সভাপতি সিরাজুল ইসলাম খান, সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট কেএম.হোসেন আলী হাসান, সহ-সভাপতি অ্যাড. বিমল কুমার দাস ও প্রচার সম্পাদক শামসুজ্জামান আলো ও কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী সোনালী ব্যাংকের সাবেক পর্ষদ পরিচালক ড. জান্নাত-আরা তালুকদার হেনরী।
মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক আনোয়ার হোসেন রতু বৃহস্পতিবার বিকালে বলেন, আজ রাতেই (বৃহস্পতিবার) এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে। দল আমাকে মনোনায়ন দিলে গণমাধ্যমে এ বিষয়ে পরে কথা বলা যাবে।
জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল লতিফ বিশ্বাস বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে যে কাজ করতে বলবেন আমি তাই করবো। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেলকুচি ও চৌহালী থেকে নির্বাচন করাই আমার মূল উদ্দেশ্য। নেত্রী আমাকে জেলা পরিষদ প্রশাসক বানিয়েছেন। তিনি আবারও চাইলে হব, না চাইলে হব না।
অ্যাডভোকেট কে এম হোসেন আলী হাসান বলেন, ছাত্রজীবন থেকে আমি এ রাজনীতির সঙ্গে আছি। কোনওদিন দলের সঙ্গে বেইমানি করিনি। তৃণমূল নেতাকর্মীর সুখে-দুঃখে সর্বক্ষণ পাশে ছিলাম। সাংগঠনিক কাঠামো সুদৃঢ় রাখতে নেত্রী অবশ্যই আমাকে সমর্থন দেবেন বলে আমার বিশ্বাস।
মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম খান বলেন, জীবনের পুরোটাই দলের জন্য ব্যায় করেছি। জীবনের শেষ সময়টুকুও দলের জন্য কাজ করতে চাই।
কেন্দ্রীয় নেত্রী ড. জান্নাত-আরা তালুকদার হেনরী বলেন, তৃণমূল থেকে কোনও নাম এলে সর্বপ্রথম আমার নামই আসবে। নেত্রী আমাকে সমর্থন দিলে আমি বিপুল ভোটে জয়ী হওয়ার আশা রাখি। দলীয় সমর্থন না পেলে দলের বাইরে আমি যাব না।
জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক শামসুজ্জামান আলো বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনায়ন বোর্ডের কাছে সিরাজগঞ্জ থেকে যারা আবেদন করেছেন তারা সকলেই আমার মুরুব্বি। তাদের হাত ধরেই আমি রাজনীতিতে এসেছি। এরপরও নেত্রীর সমর্থন পেলে গর্বিত বোধ করবো।
/এইচকে/







