সাংবাদিক দীপঙ্কর চক্রবর্তী হত্যার কথা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে জঙ্গি জাহাঙ্গীর আলম ওরফে রাজীব গান্ধী। আজ মঙ্গলবার বগুড়ায় সংবাদ সম্মেলন করে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জানান, জঙ্গি রাজীব ৬ মার্চ বগুড়ার বিচারিক হাকিম আদালতের (শেরপুর) বিচারক আহসান হাবীবের কাছে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। জবানবন্দিতে রাজীব জানায়, দীপঙ্কর হত্যাকাণ্ডে সেসহ চার জঙ্গি অংশ নেয়। তারা হলো সারওয়ার জাহান মানিক, সানাউল্লাহ ও নুরুল্লাহ। ২০০৪ সালের ২ অক্টোবর রাতে বগুড়ার শেরপুর উপজেলার সান্নলা পাড়ায় নিজ বাসার কাছে তার নেতৃত্বে চারজন দীপঙ্করের ঘাড়ে কোপ দিয়ে হত্যা করে। জেএমবির তৎকালীন শীর্ষ নেতা সিদ্দিকুর রহমান বাংলা ভাই, শায়খ আবদুর রহমানের জামাতা আবদুল আউয়ালের নির্দেশেই দীপঙ্করকে খুনের পরিকল্পনা করা হয়। বাংলা ভাই ও জেমএবি তৎপরতা নিয়ে পত্রিকায় লেখালেখির কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে দীপঙ্করকে হত্যা করা হয়।
পুলিশ সুপার জানান, দীপঙ্কর হত্যায় অংশ নেওয়া চার জঙ্গির মধ্যে মানিক বন্দুকযুদ্ধে আশুলিয়ায় মারা গেছে। সানাউল্লাহ ও নুরুল্লাহকে এখনও ধরা সম্ভব হয়নি।
হলি আর্টিজানে হামলার মূল পরিকল্পনাকারী জাহাঙ্গীর আলম ওরফে রাজীব গান্ধীকে সম্প্রতি টাঙ্গাইল থেকে গ্রেফতার করা হয়। সে বগুড়ার শেরপুরে একটি বাড়িতে গ্রেনেড বিস্ফোরণ মামলার আসামি।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সাবেক সহসভাপতি ও বগুড়ার দৈনিক দুর্জয় বাংলা পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক দীপঙ্কর চক্রবর্তীকে ২০০৪ সালের ২ অক্টোবর রাতে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
/বিএল/








