বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার নসরতপুরে গ্রামের বাড়িতে চলছিল এক স্কুলছাত্রীর বিয়ের আয়োজন। সোমবার (৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বিয়ের দাওয়া খেতে আত্মীয়-স্বজন ও অতিথিরাও চলে আসেন। সবাই অপেক্ষায় ছিলেন বরের। এমন সময় মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারুক হোসেন আসেন বিয়ে বাড়িতে। তার হস্তক্ষেপে ভণ্ডুল হয়ে যায় বিয়ে। বাল্যবিয়ের অভিশাপ থেকে রেহাই পান দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই ছাত্রী। পরে পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়।
আদমদীঘি মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারুক হোসেন জানান, নসরতপুর গ্রামের নসরতপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণি পড়ুয়া এক ছাত্রীকে তার পরিবার থেকে বিয়ে দেওয়া হচ্ছিল। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা টের পেয়ে বাল্যবিয়ে বন্ধ করতে তাকে (মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা) ও থানা পুলিশকে নির্দেশ দেন। তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে বিয়ে ভণ্ডুল করে দেন। এছাড়া মেয়ের বয়স ১৮ না হওয়া পর্যন্ত তাকে বিয়ে দেওয়া হবে না মর্মে অভিভাবকের কাছ থেকে লিখিত মুচলেকা নেওয়া হয়।







