নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেছেন, ‘আমাদের কাছে সব প্রার্থীই সমান। আমাদের কাছে কেউ দলীয় প্রার্থী নয়। তাই আমরা সবাইকে একই ধরণের সুযোগ দিতে চাই।’ রবিবার দুপুরে বড়াইগ্রাম উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে পৌরসভা ও ইউপি নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আগামী ২৮ ডিসেম্বর বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া পৌরসভা, জোয়ারী ইউনিয়ন ও মাঝগাঁও ইউনিয়ন নির্বাচন উপলক্ষ্যে তিনি বড়াইগ্রাম পরিদর্শনে এসে এই মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন।
বড়াইগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আনোয়ার পারভেজের সভাপতিত্বে এসময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, রাজশাহী বিভাগীয় আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা সৈয়দ আমিরুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক শাহিনা খাতুন, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও পৌর নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খায়রুল আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বড়াইগ্রাম সার্কেল) হারুন অর রশীদ, জোয়াড়ী ও মাঝগাঁও ইউপি নির্বাচনের প্রিজাইডিং অফিসার ইকবাল আহমেদ, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ইছাহাক আলী ও দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অমিত সাহা।
তিনি বলেন,‘আমাদের একটাই ইচ্ছা ও উদ্দেশ্য। আর তা হল আইনানুগ নির্বাচন করা। আমরা এমন নির্বাচন করতে চাই না, যে নির্বাচন নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুলতে পারে।’
এসময় বনপাড়া পৌর নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী বিএনপি প্রার্থী মহুয়া নুর কচি আওয়ামী লীগ প্রার্থী কে এম জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে প্রচারণায় বাধা দেওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগ করেন।
নির্বাচন কমিশনার এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বলেন,‘আইন লঙ্ঘনের কোনও ঘটনা ঘটলে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে প্রার্থীতা বাতিলও করা হতে পারে।’ তাই প্রার্থীদের আইন মেনে নির্বাচনি প্রচারণা চালানোর আহ্বান জানান তিনি।
প্রার্থীদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,‘কোনও কেন্দ্রের পোলিং এজেন্টকে বের করে দেওয়া হলে সংশ্লিষ্ট প্রিজাইডিং অফিসারের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এর আগে নির্বাচন কমিশনার নাটোরে পৌঁছলে জেলা প্রশাসক শাহিনা খাতুন তাকে অভ্যর্থনা জানান।








