বগুড়ার গাবতলী উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ করে ত্রাস সৃষ্টির অভিযোগে বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের ৮৭ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলাটি করেন গাবতলী পৌর আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক আজিজার রহমান পাইকার।
মামলায় গাবতলী থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক উপজেলা চেয়ারম্যান মোরশেদ মিল্টন, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র সাইফুল ইসলাম ও থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক নতুনসহ ৩৭ জনের নাম উল্লেখ করে মোট ৮৭ জনকে আসামি করা হয়েছে।
গাবতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খায়রুল বাশার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গাবতলী উপজেলা গেটের পাশে দোতলায় আওয়ামী লীগের কার্যালয় রয়েছে। গত ৪ ফেব্রুয়ারি রাত ৯টার দিকে বাদী ও মামলার সাক্ষীরা কার্যালয়ে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার অর্থ আত্মসাৎ মামলার রায়কে কেন্দ্র করে যেকোনও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি মোকাবিলায় সভা করছিলেন। এ সময় আসামিরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে লাঠি, রড, ইট-পাটকেল ও ককটেলসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে আসে। তারা আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য পরপর কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ করে পালিয়ে যায়।
মামলা প্রসঙ্গে গাবতলী পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মেয়র সাইফুল ইসলাম জানান, সরকার আদালতকে প্রভাবিত করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় সাজা দেওয়ার নীল নকশা করছেন। বিএনপির নেতাকর্মীরা যাতে প্রতিবাদ করতে না পারে সে জন্য আওয়ামী লীগের ক্যাডাররা নিজেরাই ককটেল বিস্ফোরণ করে দায় বিএনপির ওপর চাপাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, মামলা হামলা যতই হোক না কেন অন্যায়ভাবে খালেদা জিয়াকে কোনও সাজা দেওয়া হলে গাবতলী থেকেই আন্দোলন শুরু করা হবে। তিনি অবিলম্বে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান।







