দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে সপ্তাহের ব্যবধানে পাইকারিতে পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে সর্বোচ্চ ৪ টাকা পর্যন্ত। এক সপ্তাহ আগে প্রতি কেজি পেঁয়াজ প্রকারভেদে ১৭ টাকা থেকে ২২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে এসব জাতের পেঁয়াজ প্রকারভেদে ১৫-১৯ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
হিলি স্থলবন্দর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বন্দর দিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই পেঁয়াজ আমদানি স্বাভাবিক রয়েছে। বন্দর দিয়ে গড়ে প্রতিদিন ৪০-৫০ ট্রাক করে পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে। বন্দর দিয়ে ২০-২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৬ কার্যদিবসে ৩১৯টি ট্রাকে ৬৩৮৫ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে।
সরেজমিন হিলি স্থলবন্দর ঘুরে দেখা গেছে, ভারত থেকে বন্দর দিয়ে ইন্দোর, সাউথ ও নাসিক জাতের পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে। আর আমদানিকৃত এসব পেঁয়াজ প্রকারভেদে পাইকারিতে ট্রাকসেল ইন্দোর জাতের পেঁয়াজ প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫-১৬ টাকা কেজি দরে। আর সাউথ জাতের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৮-১৯ টাকা কেজি দরে। এক সপ্তাহ আগে ইন্দোর জাতের পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছিল ১৭-১৮ টাকা কেজি দরে এবং সাইথ জাতের পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছিল ২১-২২ টাকা কেজি দরে।
বাংলাহিলি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পাইকারিতে পেঁয়াজের দাম কমার প্রভাব খুচরা বাজারেও পড়েছে। ভারত থেকে আমদানিকৃত প্রতি কেজি পেঁয়াজ খুচরাতে প্রকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ১২-১৮ টাকা কেজি দরে। এসব পেঁয়াজ এক সপ্তাহপূর্বে কেজিতে ৫-৬ টাকা বাড়তি দামে বিক্রি হয়েছিল। আর বাজারে দেশি জাতের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪৫-৫০ টাকা কেজি দরে।
হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক হারুন উর রশীদ হারুন ও পেঁয়াজ ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, বন্দর দিয়ে গত ঈদুল আজহার আগ থেকেই পেঁয়াজ আমদানি স্বাভাবিক পর্যায়ে রয়েছে। এর ফলে দেশের বাজারে চাহিদার তুলনায় পেঁয়াজের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় পেঁয়াজের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। সম্প্রতি ভারতের নাসিক, পাঠনা ও সাউথে পেঁয়াজের মৌসুম শেষ। ফলে যার কাছে যা পেঁয়াজ রয়েছে সেগুলো ছেড়ে দিচ্ছে এবং ভারতের কিছু কিছু এলাকায় নতুন পেঁয়াজ উঠতে শুরু করেছে। এ কারণে ভারতের বিভিন্ন মোকামগুলোতে পুরানো পেঁয়াজের সরবরাহ খানিকটা বেড়েছে এর কারণে পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমেছে। এদিকে বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি স্বাভাবিক থাকায় ও পেঁয়াজের দাম কম হওয়ায় দেশের বাজারেও পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমেছে।







