বগুড়ার ৭ আসনে ৯২৬ ভোটকেন্দ্রের ৫৬০টিকে ঝুঁকিপূর্ণ (গুরুত্বপূর্ণ) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে বাড়তি নজর থাকবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। জেলা নির্বাচনি অফিস সূত্র জানায়, বগুড়ায় ভোটের নিরাপত্তায় র্যাবের ১০টি টিম ছাড়াও সেনা, পুলিশ, বিজিবি ও আনসার বাহিনীর ১৪ হাজারের বেশি সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।
জেলা নির্বাচনি অফিস ও জেলা পুলিশের বিশেষ শাখা সূত্রে জানা গেছে, বগুড়ার ৭ আসনে মোট ভোটার ২৫ লাখ ৪৬ হাজার ৯৫৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১২ লাখ ৬০ হাজার ৭০০ জন ও নারী ১২ লাখ ৮৬ হাজার ২৫৮ জন। ৯২৬ কেন্দ্রের মধ্যে ৫৬০টি ঝুঁকিপূর্ণ। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্রসহ এবার ৪৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
সূত্র আরও জানায়, ৯২৬ কেন্দ্রের প্রতিটিতে একজন ৯২৬ জন পুলিশ, প্রতি কেন্দ্রে ১২ জন করে মোট ১১ হাজার ১১২ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। পুলিশের ১০৪টি মোবাইল টিম এবং সাতটি আসনের প্রতিটিতে ৬টি করে মোট ৪২টি বিশেষ মোবাইল টিম থাকবে। পুলিশের বিশেষ সাধারণ টিম থাকবে ৪৯টি এবং স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে থাকবে আরও ১৩টি টিম। এ ছাড়া সোনাবাহিনীর ৭০০ সদস্য ও বিজিবির ১৬ প্লাটুন সদস্য মোতায়েন রয়েছে।
সূত্র জানায়, সাতটি আসনে ২৭ জন নির্বাহী মাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়েছে। এর মধ্যে বগুড়া-২ আসনে ৩ জন এবং অন্য ৬ আসনে ৪ জন করে।
এদিকে, শনিবার সহকারি রিটার্নিং কার্যালয়গুলো থেকে ব্যালট পেপার, ব্যালট বাক্সসহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন থেকে সংবাদ ও ছবি সংগ্রহের জন্য সাংবাদিকদের পরিচয়পত্র এবং গাড়ি বা মোটরসাইকেলের স্টিকার সরবরাহ করা হয়েছে।
ডিএসবির পুলিশ সুপার আবদুল জলিল জানান, শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু পরিবেশে ভোটগ্রহণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
র্যাব-১২ বগুড়া ক্যাম্পের কমান্ডার মেজর সরকার আসিফ মাহমুদ সাংবাদিকদের জানান, নির্বাচনি দায়িত্ব পালনে অন্য জেলা থেকেও বাড়তি সদস্য আসছে।
বগুড়ার রিটার্নিং কর্মকর্তা ফয়েজ আহাম্মদ জানান, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। রবিবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ করা হবে।








