বগুড়ার শাজাহানপুরে যৌতুকের টাকা না পেয়ে দুখু মিয়া নামে এক ব্যক্তি তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী রিবা বেগমকে (২১) শ্বশুর বাড়িতে ফেলে পালিয়ে গেছে।এ ঘটনায় বুধবার (৩ জুলাই) শাজাহানপুর থানায় সাত জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছেন রিবা বেগম।
আসামিরা হলেন—স্বামী দুখু মিয়া,তার বাড়ি শাজাহানপুর উপজেলার খোট্টাপাড়া ইউনিয়নের দুরুলিয়া গ্রাম। শ্বশুর আবদুল খালেক, শাশুড়ি শহিদা বেগম, ভাসুর মো. সোহাগ, প্রতিবেশী হেনা বেগম ও তার স্বামী আবদুর রাজ্জাক এবং দুখুর বন্ধু জুয়েল।
অভিযোগে জানা গেছে, দুরুলিয়া গ্রামের আবদুল খালেকের ছেলে দুখু মিয়া প্রায় সাত মাস আগে পাশের লতিফপুর দক্ষিণপাড়ার আনোয়ার হোসেনের মেয়ে রিবা বেগমকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এর আগে প্রথম স্ত্রী নুপুর বেগমকে তালাক দেন তিনি।
রিবার মা রেহেনা বেগম অভিযোগ করেন, তার মেয়ে রিবা বর্তমানে অন্তঃসত্ত্বা। বিয়ের কিছুদিন পর থেকে জামাই দুখু এক লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে আসছে। যৌতুক না দেওয়ায় দুখু ও তার বাড়ির লোকজন মেয়ের ওপর নির্যাতন শুরু করে। দুখু গত ৭ জুন আবারও তার প্রথম স্ত্রী নুপুরকে বিয়ে করে। ওই দিন কৌশলে রিবাকে সঙ্গে নিয়ে লতিফপুর দক্ষিণপাড়ায় আমাদের বাড়িতে রেখে যায়। সেখান থেকে কৌশলে পালিয়ে যায় দুখু। পরে জানতে পারি, সে প্রথম স্ত্রীকে নিয়ে সংসার করছে। বাধ্য হয়ে রিবা বুধবার শাজাহানপুর থানায় স্বামী ও অন্যদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে।
শাজাহানপুর থানার এসআই নুর ইসলাম বলেন, ‘আমরা অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’








