বগুড়ার সোনাতলা উপজেলায় সুখদহ নদীর দুই তীরে ভাঙন শুরু হয়েছে। এতে গোসাইবাড়ি পূর্বপাড়া গ্রামে তিন শতাধিক বাড়িঘর হুমকির মুখে পড়েছে। নদী ভাঙন রোধে অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ওই গ্রামের বাসিন্দারা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সোনাতলা উপজেলার উত্তর বয়ড়া গ্রাম থেকে সুখদহ নদীর উৎপত্তি। পানি উন্নয়ন বোর্ড এ বছরের মে-জুন মাসে প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে ওই নদীর উৎপত্তিস্থল থেকে ঠাকুরপাড়া মধ্যপাড়া পর্যন্ত প্রায় পৌনে দুই কিলোমিটার নদী খনন করে। খননের পর নদীর দুই পাড়ে মাটি রাখা হয়। সম্প্রতি অতি বর্ষণ ও বন্যায় নদীর দুই পাড়েই ভাঙন শুরু হয়। এরপর নদীতে পানি কমতে থাকায় ভাঙন আরও তীব্র হয়েছে। এতে গোসাইবাড়ি পূর্বপাড়া গ্রামের তিন শতাধিক বাড়িঘর হুমকির মুখে পড়েছে। ফলে আতঙ্কে রয়েছেন ওই গ্রামের বাসিন্দারা।
গ্রামবাসী জানায়, গোসাইবাড়ি পূর্বপাড়া গ্রামে তিন শতাধিক পরিবার বসবাস করে। নদী ভাঙন শুরু হওয়ায় তাদের ফসলি জমির পাশাপাশি বসতবাড়ি, গাছপালা বিলীন হবার উপক্রম হয়েছে। ভাঙন রোধে এখনই পাইলিং না করলে গ্রামটি মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাবে।
জোড়গাছা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রোস্তম আলী মণ্ডল জানান, ভাঙনের বিষয়টি উপজেলা প্রকৌশলীকে অবহিত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মিনহাদুজ্জামান লিটন বলেন, ‘খুব দ্রুত ওই স্থানে নদী শাসনের কাজ শুরু হবে।’ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম বলেন, ‘বাঙালি নদী শাসনের পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। তবে এখনই আশপাশের ছোট নদী শাসনের পরিকল্পনা নেই।’







