করোনায় আক্রান্ত পাবনার চাটমোহরের মূলগ্রাম ইউনিয়নের বামনগ্রামের সেই যুবককে (৩২) ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে অ্যাম্বুলেন্সে তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) রাতে তাকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছিল।
চাটমোহর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শুয়াইবুল রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, তার করোনা পজিটিভ আসার পর বিষয়টি ঢাকায় আইইডিসিআরকে জানানো হয়। সেখান থেকে নির্দেশনা পাওয়ার পর সব নিয়ম কানুন অনুসরণ করে আজ দুপুরে তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
তিনি জানান, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের করোনা রোগী পরিবহনের জন্য রাখা আলাদা একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে ওই যুবককে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাকে ঢাকার কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে ভর্তি করা হবে। এছাড়া তার সংস্পর্শে আসা পরিবারের ১৩ জন সদস্যের নমুন সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য শুক্রবার রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ৫ এপ্রিল ওই যুবক নারায়ণগঞ্জ থেকে পালিয়ে চাটমোহরে নিজ বাড়িতে আসেন। তিনি সেখানে টাইলস মিস্ত্রি হিসেবে কাজ করতেন। তিনি যে বাড়িতে ছিলেন সেই বাড়িত একজন করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যান। বাড়িতে আসার পর তিনি এ তথ্য গোপন করে শ্বশুর বাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়ান।
পরে লোকমুখে বিষয়টি জানতে পেরে সন্দেহ হিসেবে ১৪ এপ্রিল তার নমুন সংগ্রহ করে রাজশাহীতে পরীক্ষার জন্য পাঠান স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীরা। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সন্ধ্যার পর তার পরীক্ষার ফলাফল পজিটিভ আসে। পরে রাত ১১টার দিকে পুরো চাটমোহর উপজেলা লকডাউন ঘোষণা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা করোনা প্রতিরোধ সেলের সভাপতি সরকার মোহাম্মদ রায়হান।








