পুলিশ কনস্টেবলের করোনা পজেটিভ আসার পর বগুড়ার আদমদীঘিতে দুপচাঁচিয়ার হাপুনিয়া গ্রামে তার শ্বশুরবাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। ওই পুলিশ সদস্যকে স্ত্রীসহ বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) রাতে বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল আইসোলেশন ইউনিটে নেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, আদমদীঘি উপজেলার নশরতপুর ইউনিয়নের শাওইল কাঞ্চনপাড়া গ্রামে বাড়ি ওই পুলিশ সদস্যের। তিনি ঢাকায় চাকরি করেন। সর্দি, কাশিতে আক্রান্ত হয়ে ১০ এপ্রিল মোটরসাইকেলে করে ঢাকা থেকে বাড়িতে ফেরেন। ১৩ এপ্রিল আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসেন। তখন চিকিৎসদের সন্দেহ হলে নমুনা সংগ্রহ করা হয়। ওই নমুনা রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ল্যাবে পাঠানো হয়েছিল। বৃহস্পতিবার রিপোর্টে ওই করোনা পজেটিভ আসে। এরপর স্ত্রীসহ তাকে আইসোলেশনে নেওয়া হয়েছে। এরপর জেলা প্রশাসক ফয়েজ আহাম্মদ আদমদীঘি উপজেলা লকডাউন করেন। ওই পুলিশ সদস্য হাপুনিয়া গ্রামের শ্বশুরবাড়িতে যাতায়াত করায় উপজেলা প্রশাসন শুক্রবার ওই বাড়ি লকডাউন করেছেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবদুল কুদ্দুস বলেছেন, অন্তত ১৪দিন ওই বাড়ি লকডাউন থাকবে।
বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. শফিক আমিন কাজল জানান, আইসোলেশনের থাকা ওই পুলিশ সদস্যের শরীরের অবস্থা ভালো। তিনি এখানকার পরিবেশের সঙ্গে নিজেকে খাপ খাওয়াতে ও খাবার খেতে পারছেন না। তাই তিনি চাইলে চিকিৎসা নিতে পারেন। তার স্ত্রীর শরীর থেকে শনিবার নমুনা সংগ্রহ করে রামেক হাসপাতাল ল্যাবে পাঠানো হবে।







