বগুড়ায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এক মুক্তিযোদ্ধাসহ আরও দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রাতে ও শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে তারা বাড়ি ও হাসপাতালে মারা যান। কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবীরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে মরদেহ প্রস্তুত, জানাজা ও দাফন করেছেন।
কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন সূত্র জানায়, বগুড়া শহরের শেরপুরের অলিপুর নতুনপাড়ার অবসরপ্রাপ্ত রেলওয়ের কর্মচারী মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ারুল ইসলাম (৬৫) শুক্রবার সকালে নিজ বাড়িতে মারা গেছেন। করোনা উপসর্গে আক্রান্ত হলে তিনি টিএমএসএস মেডিক্যাল কলেজ (টিএমসি) ও রফাতউল্লাহ কমিউনিটি হাসপাতাল পিসিআর ল্যাবে নমুনা দেন। গত ১৪ জুলাই ফলাফলে তিনি করোনা পজিটিভ হন। বাড়িতে আইসোলেশনে থাকা অবস্থায় তিনি মারা যান। স্বাস্থ্যবিধি মেনে গার্ড অব অনার শেষে মুক্তিযোদ্ধাকে শেরপুরের পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
টিএমসি ও রফাতউল্লাহ কমিউনিটি হাসপাতালের সহকারী নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুর রহিম রুবেল জানান, তাদের হাসপাতালের করোনা ইউনিটে বৃহস্পতিবার রাত ১টার দিকে ব্যবসায়ী ইমতিয়াজ উদ্দিন (৬০) মারা যান। তিনি বগুড়া শহরের খান্দার এলাকার বাসিন্দা। করোনা উপসর্গ দেখা দিলে তিনি এ হাসপাতাল ভর্তি হয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার ল্যাব থেকে পাওয়া রিপোর্টে তার শরীরে করোনাভাইরাস ধরা পড়ে। শরীরে অক্সিজেন সরবরাহ অস্বাভাবিক কমে যাওয়ায় তার অবস্থার অবনতি হয়েছিল।
কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন, বগুড়া শাখার স্বেচ্ছাসেবী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান জানান, স্বাস্থ্যবিধি মেনে তাদের মরদেহ প্রস্তুত ও জানাজা করা হয়। পরে নিজ নিজ এলাকায় দাফন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, এ নিয়ে বগুড়া জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত ৭৫ জনের মৃত্যু হলো।







