বগুড়ার কাহালুতে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ শিশু জান্নাতি খাতুনের (৮) মরদেহ পাওয়া গেছে। সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পুলিশ উপজেলার মালঞ্চা ইউনিয়নের শহরগাড়ি পাল্লাপাড়া গ্রামে বাড়ির পাশে পুকুর থেকে তার লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে। স্থানীয়দের ধারণা, দুর্বৃত্তরা শিশুটিকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করে লাশ পুকুরে ফেলে দিয়েছে। কাহালু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়া লতিফুল ইসলাম জানান, শরীরে আঘাতের কোনও চিহ্ন নেই।
শিশু জান্নাতি বগুড়ার কাহালু উপজেলার মালঞ্চা ইউনিয়নের শহরগাড়ি পাল্লাপাড়া গ্রামের হোটেল শ্রমিক শামসুল হকের মেয়ে। সে স্থানীয় অঘর মালঞ্চা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী। তার মৃত্যুর ব্যাপারে বাবা, মা ও স্বজনরা কিছু বলতে পারছেন না।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, রবিবার বিকালে খেলার জন্য বাড়ি থেকে বের হয় জান্নাতি। এরপর থেকে সে নিখোঁজ ছিল। অনেক খোঁজাখুঁজি করে তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। সোমবার বেলা ২টার দিকে বাড়ির কাছের একটি পুকুরে তার লাশ ভেসে ওঠে। খবর পেয়ে কাহালু থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। লাশ উদ্ধারের সময় শিশুটির গোপনাঙ্গ দিয়ে রক্ত ঝরছিল। এছাড়া পানিতে ডুবে মারা গেলে পেটে পানি থাকতো। তাদের ধারণা, শিশুটিকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।
কাহালু থানার ওসি এলাকাবাসীদের সন্দেহ প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, হত্যা ও ধর্ষণের কোনও আলামত পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে এ ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত মামলা হয়নি।









