দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় বগুড়ার গাবতলী উপজেলার সোনারায়-ডাকুমারা ১০ কিলোমিটার সড়কের বেহাল দশা। বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে ছোটবড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টি হলেই যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সোনারায়-ডাকুমারা সড়কের সঙ্গে জেলা শহর ও অন্যান্য এলাকায় যাতায়াত করা যায়। ডাকুমারা হাট সবচেয়ে বড় গরুর হাট। এখান থেকে মোটা অংকের রাজস্ব আদায় হয়। এই সড়কের আশপাশে হাট-বাজার, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান রয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) ১০ কিলোমিটার সড়কটির মাত্র দেড় কিলোমিটার কাজ হয়েছে। বাকি অংশে কাজ না হওয়ায় ছোটবড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।
এতে বৃষ্টি হলেই ওই পথে চলাচল করা কঠিন হয়ে পড়ে। মাঝেমধ্যে গর্তে পড়ে যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সংস্কার না করায় দিন দিন মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে। এ জন্য সড়কটি সংস্কার কিংবা পুনরায় নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
খুপি গ্রামের আলেক উদ্দিন, কালু মেম্বার, জহুরুল ইসলাম, ফুলমিয়া, উজগ্রামের লেবন চৌধুরী, লাংলু এলাকার রফিকুল ইসলাম জানান, সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে শিক্ষার্থী-ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
সোনারায় ইউনিয়নের (ইউপি) চেয়ারম্যান মফিদুল ইসলাম ও দক্ষিণপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম সাইফুল জানান, সড়কটি দ্রুত সংস্কার করা না হলে উত্তর গাবতলীর লাখো মানুষ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের গাবতলী উপজেলা প্রকৌশলী রিপন কুমার সাহা বলেন, সোনারায়-ডাকুমারা ১০ কিলোমিটার সড়কে সোনারায় থেকে দেড় কিলোমিটারের কাজ হয়েছে। ডাকুমারা থেকে দেড় কিলোমিটারের কাজ আগামী ডিসেম্বরে হবে। বাকি কাজ প্রক্রিয়াধীন।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) নির্বাহী প্রকৌশলী গোলাম মোর্শেদ বলেন, বেহাল অবস্থার সড়কগুলো পুনরায় সংস্কার অব্যাহত রয়েছে। আগামী দুই বছরের মধ্যে কাজগুলো শেষ হবে। গাবতলী উপজেলা প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা বলে সোনারায়-ডাকুমারা সড়ক সংস্কারে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।









