ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় গ্রেফতার রাজশাহী কাটাখালী পৌরসভা মেয়র আব্বাস আলীকে তিন দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠান হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ ডিসেম্বর) রিমান্ড শেষে আদালতে তোলা হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানার ওসি নিবারন চন্দ্র বর্মন জানান, রিমান্ডে মেয়র আব্বাস আলীর নমুনা ভয়েস সংগ্রহ করেছে পুলিশ। পরীক্ষার জন্য তা ল্যাবে পাঠানো হবে। সেখানে ভাইরাল হওয়া বক্তব্যের সঙ্গে নমুনা ভয়েস মিলিয়ে দেখবে। এছাড়া আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য পাওয়া গেছে। তবে মামলার তদন্ত সাপেক্ষে এখন বলা যাবে না।
৬ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল স্থাপন নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যকারী আব্বাস আলীর তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন আদালত। তাকে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন চেয়েছিল বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশ।
১ ডিসেম্বর রাজধানীর একটি হোটেল থেকে র্যাবের সদস্যরা তাকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় গ্রেফতার করে। ২ ডিসেম্বর র্যাবের পক্ষ থেকে রাজশাহী মহানগর বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশের কাছে আব্বাসকে হস্তান্তর করে। সেদিন সকালে আব্বাস আলীকে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশ আদালতে তোলে। ওই দিন রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানি না হওয়ায় আদালতের নির্দেশে আব্বাসকে কারাগারে পাঠানো হয়।
জানা গেছে, রাজশাহী মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও কাউন্সিলর আব্দুল মোমিনের করা মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। মূলত রাজশাহীর সিটি গেটে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপন নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে তার বিরুদ্ধে তিন থানায় তিনটি এজাহার জমা হলেও একটি মামলা হিসেবে গণ্য হয়। অন্যদিকে জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও পৌর আওয়ামী লীগের আহ্বায়কের পদ থেকে আব্বাস আলীকে অব্যাহতি দেয় স্থানীয় আওয়ামী লীগ। মেয়র পদেও আব্বাস আলীর প্রতি অনাস্থা জানান পৌরসভার সব কাউন্সিলর।









