ঢাকা-সিরাজগঞ্জ মহাসড়কে ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছে বগুড়ার সোনাতলা থানা পুলিশের ভাড়া করা একটি মাইক্রোবাস। মঙ্গলবার (১১ অক্টোবর) রাতে অপহরণের শিকার এক ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে ফেরার পথে বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম পাড়ে সিরাজগঞ্জের মুলিবাড়ি এলাকায় ছিনতাইকারীদের কবলে পড়েন তারা।
পুলিশ সূত্র জানা গেছে, সম্প্রতি বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার এক স্কুলছাত্রীকে তার প্রেমিক ভাগিয়ে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর পরিবার সোনাতলা থানায় অপহরণ মামলা করেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা সাব-ইন্সপেক্টর আবদুল খালেক ও কনস্টেবল আবুল কালাম আজাদ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ওই মামলায় ভুক্তভোগীকে উদ্ধার ও আসামিকে গ্রেফতার করতে ঢাকায় যান।
ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে সাদা পোশাকে থাকা দুই পুলিশ ভাড়া করা মাইক্রোবাসে সোনাতলা থানায় ফিরছিলেন। পথিমধ্যে রাত আড়াইটার দিকে তারা সিরাজগঞ্জে বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিমপাড়ে মহাসড়কের মুলিবাড়ি এলাকায় পৌঁছেন। এ সময় ৩/৪ জন ছিনতাইকারী ঢিল ছুড়লে মাইক্রোবাসের কাচ ভেঙে যায়। তখন চালক মাইক্রোবাস থামালে বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত ছিনতাইকারীরা এগিয়ে আসে। তারা এক পুলিশ ও মাইক্রোবাসে থাকা ভুক্তভোগীর লোকজনের কাছে দুটি মোবাইল ফোন ও ১০/১২ হাজার ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।
বুধবার সন্ধ্যায় সোনাতলা থানার ওসি সৈকত হাসানের কাছে এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি তদন্তাধীন কোনও বিষয়ের ওপর তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানান।
তবে সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার আরিফুর রহমান মন্ডল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে। কেউ হতাহত হয়নি। ছিনতাইকারীদের গ্রেফতারে একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে। শিগগিরই অপরাধীদের গ্রেফতারে সক্ষম হবো।
বগুড়া জেলা পুলিশ সুপার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, খবর পেয়ে বগুড়া ডিবি পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আর সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ বিষয়টি দেখছে। বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আলী হায়দার চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
আলী হায়দার চৌধুরী বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। সিরাজগঞ্জ পুলিশের বক্তব্যই আমাদের বক্তব্য।









