সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচনে ২ নম্বর ওয়ার্ডে (সদর) এক ভোটও পাননি এক সদস্য প্রার্থী। হাতি প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা মো. খালেদ মোশারফের ভোটের ফলে এই চিত্র দেখা গেছে। সিরাজগঞ্জ কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
একই কেন্দ্রে সদস্য প্রার্থী মো. গোলাম আজম তালুকদার বৈদ্যুতিক পাখা প্রতীকে পেয়েছেন ১৫ ভোট, মো. হামিদুল ইসলাম ঘুড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ছয় ভোট, আরাফাত রহমান খান অটোরিকশা প্রতীকে পেয়েছেন তিন ভোট ও গাজী ফজলুর রহমান খাঁন তালা প্রতীকে পেয়েছেন দুই ভোট। ফলে ২ নম্বর ওয়ার্ডে পাঁচ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. সোহেল রানা। সোমবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করেন তিনি।
মো. খালেদ মোশারফ কোনও ভোট না পাওয়ার বিষয়ে প্রিসাইডিং অফিসার বলেন, ‘এই নির্বাচনে সদস্য প্রার্থীরা ভোট দিতে পারেন না। অন্য ভোটাররা ভোট না দেওয়ায় খালেদ মোশারফ কোনও ভোট পাননি। এজন্য তিনিসহ পাঁচ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।’
এর আগে সকাল ৯টায় ভোট শুরু হয়ে দুপুর ২টায় শেষ হয়। কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এবার প্রথমবারের মতো ইভিএমে ভোট হয়েছে।
এই ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন সাত প্রার্থী। এর মধ্যে জেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. একরামুল হক টিউবওয়েল প্রতীক নিয়ে ৭৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. মিজানুর রহমান উটপাখি প্রতীকে পেয়েছেন ৫১ ভোট। কেন্দ্রটিতে ১৫৪ ভোটারের মধ্যে ১৫৩ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এর মধ্যে একটি ভোট বাতিল হয়।
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, জেলার তিনটি সংরক্ষিত ওয়ার্ডের সদস্য পদের বিপরীতে ২০টি এবং নয়টি সাধারণ ওয়ার্ডে ৫২টি মনোনয়নপত্র জমা পড়ে। যাচাই-বাছাই শেষে তিনটি সংরক্ষিত ওয়ার্ডের সদস্য পদের বিপরীতে প্রার্থী ছিলেন ১৮ জন ও নয়টি সাধারণ ওয়ার্ডে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ৩৮ জন।
টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগ প্রার্থী আব্দুল লতিফ বিশ্বাস। এর আগে ২০১৬ সালেও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন তিনি।








