রাজশাহীতে নির্বাচন কর্মকর্তার বাসা থেকে আটক আওয়ামী লীগ নেতা মীর ইশতিয়াক আহমেদ ওরফে লিমনকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। সোমবার (১৯ জুন) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে তার বাবা রাজশাহী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবালের জিম্মায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
মীর ইশতিয়াক আহমেদ রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।
রবিবার (১৮ জুন) রাত ১০টার দিকে লিমন সিটি নির্বাচনের ৯, ১১ ও ১২ নম্বর ওয়ার্ডের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল হোসেনের বাসায় এসেছিলেন। এ সময় বাইরে থেকে মহানগর ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তাকে অবরুদ্ধ করেন। এরপর তাকে বহিষ্কারের দাবিতে নানা রকম স্লোগান দিতে থাকেন। একপর্যায়ে নগরীর সাগরপাড়া মহল্লার ওই বাড়ির সামনে রাতে কয়েকশ মানুষ জড়ো হন। রাত ১২টার দিকে পুলিশ ওই বাসা থেকে ইশতিয়াককে আটক করে জিজ্ঞাবাসাদের জন্য বোয়ালিয়া থানায় নিয়ে যায়। রাতভর তিনি থানাতেই ছিলেন।
আটকের সময় ছাত্রলীগের নেতারা অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ নেতা ইশতিয়াকের মামা রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ২২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী। তিনি বর্তমান কাউন্সিলরও। তাকে নির্বাচনে জেতাতে অর্থ লেনদেন করতে ইশতিয়াক ওই বাসায় ঢুকেছিলেন। তার সঙ্গে আরও দুজন ছিলেন। ছাত্রলীগের নেতারা ভেতরে ঢুকলে তারা টাকার ব্যাগ নিয়ে পালিয়ে যান।
রাতে নির্বাচন কর্মকর্তা আবুল হোসেন সাংবাদিকদের জানান, ইশতিয়াক শুধু তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এসেছিলেন। তিনি জানতে চেয়েছেন নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে কি না। তিনি তাকে জানিয়ে দিয়েছেন নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে। এছাড়া তার সঙ্গে কোনও কথা হয়নি।
বোয়ালিয়া থানার ওসি সোহরাওয়ার্দী হোসেন জানান, যে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ইশতিয়াককে আটক করা হয়েছিল, তার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এজন্য তার বাবা রাজশাহী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবালের জিম্মায় দুপুর পৌনে ১২টার দিকে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।









