রাজশাহীর ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনে ভিসা জমা দিতে যাওয়া ভুয়া সেনা কর্মকর্তাকে আটক করা হয়েছে। সোমবার (২৪ জুলাই) দুপুরে কমিশন কার্যালয়ের কর্মকর্তারা তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।
তিনি কমিশনার কার্যালয়ে নিজের পরিচয় জানাতে ব্যর্থ হন। আটক ব্যক্তির নাম, আপ্পা সাঈদ (৪৩)। তিনি যশোর শহরের কোতোয়ালি এলাকার সাঈদ আবদুল ওলির ছেলে।
জানা গেছে, ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনারের কার্যালয়ের কর্মকর্তারা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে, আইডি কার্ডসহ সংশ্লিষ্ট সব ধরনের কাগজ দেখাতে ব্যর্থ হন। বিষয়টি সহকারী ভারতীয় হাইকমিশনার মনোজ কুমারকে জানালে তিনি পুলিশ ডেকে সেনা কর্মকর্তাকে সোপর্দ করার নির্দেশ দেন। পরে বোয়ালিয়া থানা পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
সহকারী হাইকমিশনার মনোজ কুমার জানান, সোমবার সকালে আপ্পা সাঈদ সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল পরিচয়ে ফোন দিয়ে ভারতীয় ভিসা করে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। এ সময় তাকে পদ্মা আবাসিক এলাকার কার্যালয়ে দেখা করতে বলেন তিনি। সেখানে তার কথাবার্তায় সন্দেহ হলে, তাকে বোয়ালিয়া থানা পুলিশে সোপর্দ করা হয়। এর আগেও চট্টগ্রাম ও ঢাকা ভিসা সেন্টার থেকে ভিসা করে নিয়েছিলেন।
আপ্পা সাঈদ দাবি করেন, ভারত যাওয়ার জন্য চট্টগ্রামের এক ব্যক্তির হাতে নগদ ৫০ হাজার টাকা দিয়েছি। পরে অজ্ঞাত ওই ব্যক্তি সোমবার সকালে যশোর থেকে রাজশাহী নিয়ে আসে। এর আগেও দুইবার ভারতে গিয়েছিলেন। পেশায় কাপড় ব্যবসায়ী। আমি সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল পরিচয় দেইনি।
বোয়ালিয়া মডেল থানার ওসি সোহরাওয়ার্দী হোসেন জানান, ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনারের কার্যালয় থেকে সাঈদ নামের এক ব্যক্তিকে আটক করে নিয়ে আসা হয়েছে। তিনি কার্যালয়ে গিয়ে সেনা কর্মকর্তা পরিচয় দেন। এ সময় তার পরিচয়পত্র দেখাতেও ব্যর্থ হন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তিনি বিভিন্ন সময় সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পদে কর্মরত বলে জানিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে।









