উচ্চ আদালতের রায়ে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার সয়দাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন স্থগিত হওয়ার পর থেকে দুই প্রার্থীর সমর্থকরা এলাকায় অস্ত্রের মহড়া দিচ্ছেন। বর্তমান চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ প্রার্থীর সমর্থকরা দেশীয় ও বিদেশি অস্ত্র নিয়ে বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম পাড়ে রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়কের পাশে কড্ডায় মহড়া শুরু করেছে। শুক্রবার রাত থেকে শনিবার দুপুর পর্যন্ত তাদের এই মহড়া দিতে দেখা যায়। মহড়ার খবর শুনে এবং অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সদর ও বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থানা পুলিশ সেখানে শুক্রবার রাত থেকে অবস্থান নেয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে দুই পক্ষের সংঘর্ষের পর উভয়পক্ষ একে অপরকে অভিযুক্ত করে থানায় দুইটি মামলা করে। তবে শনিবার দুপুর পর্যন্ত কোনও মামলাই রেকর্ড হয়নি বলে জানা যায়।
সদর থানার উপ-পরিদর্শক আব্দুল বারেক কড্ডা ও মূলবাড়িতে বর্তমান চেয়ারম্যান মিঠু ও আওয়ামী লীগ প্রাথী নবিদুলের সমর্থকদের অস্ত্রের মহড়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
সদর থানার ওসি হাবিবুল ইসলাম বলেন, পুলিশ সেখানে অবস্থান নেওয়ায় শেষ পর্যন্ত রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়নি। মিঠু চেয়ারম্যান উচ্চ আদালতে রিট করায় এই সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে।
উল্লেখ্য বৃহস্পতিবার সকালে উচ্চ আদালতের উদ্ধৃতি দিয়ে নির্বাচন কমিশন থেকে আকস্মিক নির্বাচন স্থগিত করায় দুপুরে বর্তমান চেয়ারম্যান সৌপ্তিক আহম্মেদ মিঠু ও আওয়ামী লীগের মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী নবিদুল ইসলাম মুখোমুখি অবস্থান নেয়। অন্যদিকে নবিদুলের ভাই মমিন মেম্বরকে মারধরের জের ধরে তাদের লোকজন কড্ডা মহাসড়কের পাশে মিঠু চেয়ারম্যানের বাড়ি ও অফিসসহ তার ৫ তলা ভবনের ভাড়াটিয়ার হাসপাতাল ভাংচুর করে।
/জেবি/টিএন/








