বগুড়ার শেরপুরের মহিপুর এলাকায় উত্তরবঙ্গ মহাসড়কে সোমবার দুপুরে দুটি কোচের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক ও শিশু সন্তানসহ এক নারী নিহত হয়েছেন। এসময় অন্তত ২০ যাত্রী আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর কোচ দুটি মহাসড়কে থাকায় অন্তত আধাঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল। আহতদের মধ্যে সাতজনকে শেরপুর ও তিনজনকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নিহত চালক নবী হোসাইন ঢাকার সাভারের আমিন বাজার ঈসা খাঁ বাঁধ এলাকার জনৈক চাঁন মিয়ার ছেলে। বেলা আড়াইটায় এ খবর পাঠানোর সময় নিহত নারী ও শিশুর নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।
শেরপুর থানার ওসি (তদন্ত) মিজানুর রহমান ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা নওগাঁগামী হানিফ পরিবহনের একটি কোচ (ঢাকা মেট্রো-ব-১৪-৮৪৬৮) সোমবার বেলা ১২টা ৫৫ মিনিটের দিকে বগুড়ার শেরপুরের মহিপুর এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারায়। এসময় কোচটি দিনাজপুর থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী সালমা এন্টারপ্রাইজের একটি কোচকে (ঢাকা-মেট্রো-ব-১১-০২৩০) সামনে থেকে ধাক্কা দেয়। এতে দুটি কোচের সামনের অংশ দুমড়ে মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই সালমা এন্টারপ্রাইজের যাত্রী অজ্ঞাত নারী (৩৫) ও তার ছেলে (৯) মারা যান। আহতদের মধ্যে আটজনকে শেরপুর হাসপাতালে ও গুরুতর আহত তিনজনকে শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। শেরপুর হাসপাতালে ভর্তির পর হানিফ পরিবহনের চালক নবী হোসাইন মারা যান। দুর্ঘটনার পর কোচ দুটি মহাসড়কে থাকায় প্রায় আধাঘণ্টা যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল। এ সময় উভয় পাশে বিভিন্ন ধরনের যানবাহন আটকা পড়ে। এসময় যাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
/জেবি/








