চাঁপাইনবাবগঞ্জে জামায়াতের আমির

৫৪ বছরের অপশাসন দেখতে দেখতে ক্লান্ত দেশের মানুষ, তারা মুক্তি চায়

রাজশাহী প্রতিনিধি
০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৭:৪৬আপডেট : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৮:৪১

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘৫৪ বছরের অপশাসন দেখতে দেখতে মানুষ ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। এ থেকে বাংলাদেশের মানুষ পরিবর্তন চায়, মুক্তি চায়। পুরাতন বন্দোবস্ত আর দেখতে চায় না। জুলাইযোদ্ধারা রাস্তায় নেমে পড়েছিলেন, বলেছিলেন “উই ওয়ান্ট জাস্টিস”। তার মানে ন্যায়বিচার নাই। সেই ন্যায়বিচার আমরা প্রতিষ্ঠা করতে চাই। রাজার জন্য যে বিচার, সবার জন্যও সেই বিচার কায়েম করতে চাই।’ 

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে জেলা জামায়াত আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

চাঁপাইনবাবগঞ্জকে আমের রাজধানী উল্লেখ করে শফিকুর রহমান বলেন, ‌‘ আমরা ক্ষমতায় গেলে আমকেন্দ্রিক শিল্প ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের পদ্মা ও মহানন্দা নদীকেন্দ্রিক যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তুলবো। তিস্তাপার থেকে সমুদ্রপার, জাফলং থেকে সুন্দরবন, টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া, সব জায়গায় আজ মুক্তির পক্ষে, ন্যায়ের পক্ষে, ইনসাফের পক্ষে, মানবিক বাংলাদেশের গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জও তার গর্বিত অংশীদার।’

নারীদের উদ্দেশে জামায়াতের আমির বলেন, ‘মা-বোনদের জন্য আমাদের স্পষ্ট অঙ্গীকার—আপনাদের অবদান বহুবিধ, তার প্রতিদান দেওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। ঋণ পরিশোধ করাও সম্ভব নয়। কিন্তু সেই চেষ্টা করতে হবে। দুটি জিনিস আপনাদের জন্য নিশ্চিত করতে চাই, সর্বস্তরে আপনাদের অধিকার ও মর্যাদা। দ্বিতীয়টি হচ্ছে, আপনাদের নিরাপত্তা।’

জনসভায় শফিকুর রহমান চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনের প্রার্থী কেরামত আলী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের প্রার্থী মু. মিজানুর রহমান ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের প্রার্থী নুরুল ইসলামের হাতে দলের নির্বাচনি প্রতীক দাঁড়িপাল্লা তুলে দেন।

জেলা জামায়াতের আমির আবুজার গিফারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন তিন আসনের প্রার্থী ছাড়াও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগা) সহসভাপতি রাশেদ প্রধান, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি নূরুল ইসলাম (সাদ্দাম) ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের ভিপি ইব্রাহিম হোসেন (রনি) প্রমুখ।

/এএম/এমওএফ/
সম্পর্কিত
বিএনপির কর্মী খুন, জামায়াত নেতাসহ ১২ জনের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
ইসলামী ব্যাংক নিয়ে টানাটানির সুযোগ দেওয়া হবে না: শফিকুর রহমান
বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির নিন্দা জামায়াতের, বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ
সর্বশেষ খবর
আর্জেন্টিনা আরও চার ফুটবলারকে প্রস্তুত রাখছে
আর্জেন্টিনা আরও চার ফুটবলারকে প্রস্তুত রাখছে
কুমিরের আক্রমণে সন্তানের মৃত্যুর পর ফজিলাকে খুঁজে পেলো পরিবার
কুমিরের আক্রমণে সন্তানের মৃত্যুর পর ফজিলাকে খুঁজে পেলো পরিবার
ট্রাফিক আইন সবার জন্য সমান, পুলিশ সদস্য হলেও ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার
ট্রাফিক আইন সবার জন্য সমান, পুলিশ সদস্য হলেও ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার
ফ্রিল্যান্সারদের আয় থেকে সাড়ে ৭ শতাংশ কর কাটা নিয়ে যা বলছে এনবিআর 
ফ্রিল্যান্সারদের আয় থেকে সাড়ে ৭ শতাংশ কর কাটা নিয়ে যা বলছে এনবিআর 
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের