ঈদের ছুটির পর ছেলেকে নিয়ে মাদ্রাসায় যাওয়া আলী হোসেন নামের এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। মাদ্রাসার ফটকে ছেলে প্রবেশ করার পরই তার ওপর গুলি ছোড়ে দুর্বৃত্তরা। এতে ঘটনাস্থলে তিনি নিহত হন।
পাবনা পৌর এলাকার জামিয়া আশরাফিয়া মাদ্রাসার সামনে সোমবার (৮ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঘটনাটি ঘটে। নিহত আলী হোসেনের (৫৩) বাড়ি গয়েশপুর ইউনিয়নের জাফরাবাদ গ্রামে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আলী হোসেনের ছেলে জামিয়া আশরাফিয়া মাদ্রাসায় পড়ে। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ছেলেকে নিয়ে তিনি মাদ্রাসায় আসেন। তখন মাদ্রাসার ফটকে ওত পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা তাকে গুলি করে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে আলী হোসেন মারা যান।
এদিকে ওই মাদ্রাসার অদূরে শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের পেছনে সোমবার বিকাল ৪টার দিকে মনিরুল ইসলাম (২৪) নামের এক তরুণ ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন। তিনি সরকারি এডওয়ার্ড কলেজের শিক্ষার্থী। তার বাড়ি সাঁথিয়া উপজেলার শিবরামপুর গ্রামে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাকিব নামের এক তরুণের সঙ্গে বাগবিতণ্ডার জেরে মনিরুলকে ছুরিকাঘাত করা হয়। এ সময় আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যাওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
পাবনা সদর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) সঞ্জয় কুমার বলেন, খবর পেয়ে নিহত দুই জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমকিভাবে জানা গেছে, গুলিতে নিহত আলী হোসেন চরমপন্থি দলের সদস্য ছিলেন। অভ্যন্তরীণ কোন্দলে তাকে হত্যা করা হতে পারে। অন্যদিকে নিহত মনিরুল ও অভিযুক্ত রাকিব একই এলাকার বাসিন্দা। ঘটনার পর রাকিবকে আটক করা হয়েছে। দুটি ঘটনাই গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। মামলা হলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।









