জাতীয় সংসদে ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল-২০২৬’ অনুমোদন হয়েছে। এর মাধ্যমে বগুড়ায় প্রথমবারের মতো পূর্ণাঙ্গ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হলো। এর ফলে দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে উত্তরবঙ্গের উচ্চশিক্ষা, গবেষণা এবং কারিগরি দক্ষতা উন্নয়নে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। এই নতুন বিশ্ববিদ্যালয়টি বৃহত্তর উত্তরাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চশিক্ষার দ্বার আরও উন্মুক্ত করবে।
এদিকে, বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল অনুমোদন হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে জেলা ছাত্রদলের উদ্যোগে আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকালে বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হওয়া আনন্দ মিছিল মহানগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সাতমাথায় গিয়ে শেষ হয়।
মিছিলের আগে কলেজ প্রাঙ্গণে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাবিবুর রশিদ সন্ধানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এমআর হাসান পলাশের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, সিনিয়র সহসভাপতি মামুদুর রহমান সানজাদ, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু আসাদ সিদ্দিকী রাকিব, সাংগঠনিক সম্পাদক শামস ইসলাম সাগর প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, বগুড়ায় একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে উত্তরবঙ্গে উচ্চশিক্ষার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। শিক্ষা ক্ষেত্রে বগুড়া দীর্ঘদিন ধরেই রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের অন্যতম সেরা ফলাফল অর্জন করে আসছে। তাই বগুড়ায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা সময়োপযোগী ও জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার বাস্তবায়ন। সমাবেশে বক্তারা জাতীয় সংসদে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ধন্যবাদ জানান।
এদিকে, বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস শাজাহানপুর উপজেলার জামালপুর এলাকায় স্থাপনের দাবিতে মানববন্ধন ও মহাসড়ক অবরোধ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে জামালপুর এলাকায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে এ কর্মসূচি পালিত হয়। বেলা ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক অবরোধ করা হয়। অবরোধের কারণে মহাসড়কের উভয় পাশে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে অবরোধ প্রত্যাহার করলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।









