‘দুই-চারটা স্ক্যান্ডাল না থাকলে, অভিযোগ না থাকলে কীসের এমপি’ বলে মন্তব্য করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার। সাতক্ষীরা-৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলামের ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার প্রসঙ্গে এমন মন্তব্য করেন তিনি। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘জামায়াতের সাতক্ষীরার এমপিরে নিয়ে আমি কিছু বলি নাই। কারণ এই বয়সটাই এমন। খাবো না কিন্তু মাখাইয়া রাখবো। কী দরকার দুইটা চুমু খাওয়ার জন্য এত বড় রিস্ক নেওয়ার? তবে জামায়াত এখন একচুয়াল বাংলাদেশি রাজনীতিতে পারফর্ম করতেছে। দুই-চারটা স্ক্যান্ডাল না থাকলে, অভিযোগ না থাকলে কীসের এমপি। জামায়াতের এমপি সাহেব বিশেষ মুহূর্তে দুর্বল। হোক সেটা সংসদ কিংবা বাইরে। এমপি প্রথমে বলছে এআই, পরে নাকি আবার বলছে দ্বিতীয় বউ। এদিক দিয়ে আবার উনি ভালো। কট খাইয়া বউ বানাইয়া নিছে। অন্য দলগুলো তো নিজের বউরেই অস্বীকার করে।’
সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামের একটি অন্তরঙ্গ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যেখানে তাকে এক নারীর সঙ্গে দেখা যাচ্ছে। ভাইরালের পর তিনি দাবি করেছেন, ওই নারী তার দ্বিতীয় স্ত্রী এবং গত ১৭ জুন প্রথম স্ত্রীর সম্মতিতে তাদের বিবাহ সম্পন্ন হয়। এ দাবির সমর্থনে কাবিননামাও প্রকাশ পেয়েছে এবং প্রথম স্ত্রী মাকছুদা বেগমও ভিডিও বার্তায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গাজী নজরুল ইসলাম আরও অভিযোগ করেছেন, তার গাড়িচালক ও দ্বিতীয় স্ত্রীর মামা ওবায়দুল্লাহ পারিবারিক বিরোধের জেরে তাকে জিম্মি করে টাকা আদায় করেন এবং গোপনে ভিডিও ধারণ করে ছড়িয়ে দেন, যার বিরুদ্ধে তিনি আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
এদিকে জামায়াতে ইসলামী জানিয়েছে, তারা বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছে এবং তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের পর সাংগঠনিক নিয়মে ব্যবস্থা নেবে, যদিও ভিডিও প্রকাশের পর সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে এআই তৈরি বলে দাবি করা হলেও ফ্যাক্ট চেক প্রতিষ্ঠানগুলো তা আসল বলে জানিয়েছে।

সব ডিলিট করে দেন, তাহলে সব বলছি, জামায়াত এমপির আরেক ভিডিও ভাইরাল
এমপির ‘দ্বিতীয় বিয়ে’ নানান প্রশ্ন, দ্বিতীয় স্ত্রী ও শ্বশুরের বক্তব্যে অমিল






