বুধবার (২২ জুন) সকাল থেকে তিস্তার পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের চরখড়িবাড়িতে স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত এক হাজার মিটার দীর্ঘ বালির বাঁধের একশ মিটার ধসে গেছে।
ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্ভাবাস সতর্কীকরণ কেন্দ্র সূত্র জানায়, ভারী বর্ষণ ও উজানের ঢলে বুধবার সকাল ৬টা থেকে ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার ২৫ সেন্টিমিটার (৫২ দশমিক ৬৫) ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সেখানে ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় তিস্তা অববাহিকার ডালিয়ায় বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয় ১০৮ মিলিমিটার। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি স্লুইস গেট খুলে দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।
এদিকে তিস্তা নদীর বন্যায় নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ি, টেপাখড়িবাড়ি, খালিশা চাঁপানি, ঝুনাগাছ চাঁপানি, গয়াবাড়ি ও জলঢাকা উপজেলার, গোলমুন্ড, ডাউয়াবাড়ি, শৌলমারী ও কৈমারি এবং লালমনিরহাটের হাতিবান্ধা, কালিগঞ্জ, রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার তিস্তা নদী বেষ্টিত চর ও গ্রামগুলোর ২৫টি চর ও গ্রামের ১০ হাজার পরিবার বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে বলে জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন।
উপজেলার টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের চরখড়িবাড়িতে স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত এক হাজার মিটার দীর্ঘ বালির বাঁধের একশ মিটার ধসে গেছে। বাঁধটি রক্ষার জন্য এলাকার লোকজন বালির বস্তা ও গাছের গুঁড়ি ও খুঁটি ফেলে রক্ষার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম শাহিন।
/জেবি/এএইচ/
আরও পড়তে পারেন : ভ্যান ছিনতাইয়ের জন্য চালককে হত্যার চেষ্টা!







