রংপুর মেডিক্যাল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাকালে স্থানীয় ব্যবসায়ী মনির হোসেন মন্টু মারা যাওয়ার ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন মৃতের স্বজনরা। মনির চিকিৎসকদের কর্তব্যে অবহেলার কারণে মারা গেছেন- এমন অভিযোগ এনে রোগীর রমেকের ইান্টারনি চিকিৎসকদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ালে ৫ জন আহত হন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃত রোগীর ৪ স্বজনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। আজ বুধবার বেলা সাড়ে ১১ টায় এ ঘটনা ঘটে।
এ ব্যাপারে কোতোয়ালি থানার ওসি এবিএম জাহিদুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, রোগীর ৪ স্বজনকে গ্রেফতার করা হয়নি। তাদের থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
এ ঘটনার পর ইন্টারনি চিকিৎসকরা রমেক পরিচালক ডা. আ স ম বরকতুল্লাহর কার্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন। তারা সংঘর্ষে জড়িতদের গ্রেফতার করে শাস্তির দাবি জানান এবং এর জন্যে সময়সীমা বেঁধে দেন ৪৮ ঘন্টা। বিষয়টি নিশ্চিত করে হাসপাতালের উপ পরিচালক ডা. রফিকুল ইসলাম জানান পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক রয়েছে।
অপরদিকে মনির হোসেন মন্টুর মৃত্যুর পর বিক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা মৃতের স্বজনদের মুক্তি দাবি করে চিকিৎসকদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে নগরীর শাপলা চত্বরে দোকানপাট বন্ধ করে দিয়ে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন বলে জানা যায়।
পুলিশ জানায়, রংপুর নগরীর গনেশপুর বকুলতলা এলাকার মৃত আব্দুল গনির ছেলে ব্যবসায়ী মনির হোসেন মন্টু ঢাকা থেকে নাইট কোচে রংপুরে আসার পথে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে জ্ঞান হারান। বুধবার ভোরে তাকে রংপুর বাস টার্মিনাল এলাকায় নাইট কোচ থামিয়ে তাকে নামানো দেওয়া হয়। পরে এলাকাবাসী তাকে রমেক ১ নম্বর মেডিসিন ওয়ার্ডে নিয়ে এসে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ১০ টার দিকে তিনি মারা যান।
স্বজনদের অভিযোগ ব্যবসায়ী মন্টু ডাক্তারদের দায়িত্বহীনতার কারণে বিনা চিকিৎসায় মারা গেছে।
/এইচকে/
আরও পড়ুন: জোড়া খুন : মৃত তিন চরমপন্থীসহ ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড







