বগুড়ার সোনাতলা পৌরসভা প্রতিষ্ঠার প্রায় ১৫ বছর পর আগামী ৭ আগস্ট প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আওয়ামী লীগ, বিএনপি না স্বতন্ত্র প্রার্থী মেয়র হবেন তা নিয়ে সর্বত্রই চলছে আলোচনা। প্রার্থীরা সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। এদিকে, ক্ষমতাসীন দলের লোকজন প্রকাশ্যে তাদের মেয়র প্রার্থীকে ভোট দিতে চাপ দেওয়ায় আদৌও সুষ্ঠু ভোট হবে কিনা তা নিয়ে ভোটারদের মাঝে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। তবে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী অভিযোগটি দৃঢ়তার সঙ্গে অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীরা নিশ্চিত পরাজয় বুঝতে পেরে এসব মিথ্যাচার করছেন।
জানা গেছে, গত ২০০১ সালের ২৬ এপ্রিল বগুড়ার সোনাতলা পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়। সীমানা নিয়ে মামলা হওয়ায় গত ১৫ বছরেও নির্বাচন করা সম্ভব হয়নি। থানা বিএনপির সভাপতি একেএম আহসানুল তৈয়ব জাকির এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করেছেন। সম্প্রতি তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচনের সব প্রস্তুতি প্রায় শেষের দিকে।
আগামী ৭ আগস্ট ওই পৌরসভার প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ভোটার সংখ্যা ১৭ হাজার ১৪৫ জন। মেয়র পদে তিনজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আওয়ামী লীগ সমর্থিত শাহিদুল বারী খান রব্বানী, বিএনপি সমর্থিত প্রভাষক এটিএম গোলাম রকিব ও স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা জাতীয় যুব শ্রমিক লীগের যুগ্ম আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম নান্নু। ৯ ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর ৪৮ জন ও ৩ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ১২ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রার্থীরা সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন। এছাড়াও গণসংযোগ, উঠান বৈঠক, মতবিনিময় সভা করে যাচ্ছেন। তবে ভোটাররা কাউকে নিরাশ করছেন না। তারা সবাইকে ভোট দেবার আশ্বাস দিচ্ছেন।
অন্যদিকে, দুই মেয়র প্রার্থী ও তাদের লোকজন অভিযোগ করেছেন, ক্ষমতাসীন দল সমর্থিত মেয়র প্রার্থী শাহিদুল বারী খান রব্বানীর লোকজন ভোটারদের প্রকাশ্যে নৌকা প্রতীকে ভোট দিতে চাপ দিচ্ছেন। এতে আদৌও নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু ভোট হবে কিনা তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন তারা।
তবে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী শাহিদুল বারী খান রব্বানী অভিযোগটি দৃঢ়তার সঙ্গে অস্বীকার করেছেন।
আরও পড়ুন:
গুলশান হামলা: একমাস ধরে জঙ্গিদের লাশ মর্গে
গুলশান হামলার ১মাস: মূল হোতারা কোথায়?
/বিটি/








