দেশের সর্ববৃহৎ নীলফামারী সৈয়দপুরের রেলওয়ে কারখানায় ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানি করা নতুন আরও ১০টি যাত্রীবাহী কোচ কারখানায় এসে পৌঁছেছে। রেলের পশ্চিম জোনের (রাজশাহী) পাকশী ডিভিশনের বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা (ডিটিও) শওকত জামিল বাংলা ট্রিবিউনকে বিষয়টি জানান।
মঙ্গলবার (১১ অক্টোবর) কোচগুলো পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য কারখানার ভিতরে আনা হয়। দেশের ভিতরে বিভিন্ন স্থানে চলাচলকারী ট্রেনের সঙ্গে এসব নতুন কোচ সংযোজনের জন্য কোচগুলো আমদানি করা হয়েছে। জানা গেছে রেলওয়ে কারখানায় পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে ‘ট্রায়াল রান’ করানো হবে।
শুক্রবার সকালে মোবাইল ফোনে কথা হয়, সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক (ডিএস) নুর আহমদ হোসেনের সঙ্গে। বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি জানান, রেল কারখানায়, এসব কোচ পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে ট্রায়াল রানের পর রেলওয়ের ট্রাফিক বিভাগে হস্তান্তর করা হবে।
ট্রায়াল রান সফল হলে পরবর্তীতে কতৃপক্ষের সিন্ধান্ত অনুযায়ী নতুন কোচ গুলো আন্তঃনগর ট্রেনে সংযুক্ত করার সম্ভবনা রয়েছে বলে জানান সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় এই তত্ত্বাবধায়ক।
রেলের পশ্চিম জোনের (রাজশাহী) পাকশী ডিভিশনের বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা (ডিটিও) শওকত জামিল জানান, দ্বিপাক্ষিক চুক্তির আওতায় কোচগুলো ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানি করা হয়েছে। এই ১০টি কোচের মধ্যে ১টি এসি বাথ, ৩টি এসি চেয়ার, ৬টি শোভন চেয়ার কোচ ছাড়াও ১টি পাওয়ার কার রয়েছে।
সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার কর্মচারীরা বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, আগের আমদানি করা ভারতের কোচ গুলোর চেয়ে ইন্দোনেশিয়ার এসব কোচ দেখতে সুন্দর, টেকসই ও মজবুত মনে হচ্ছে।
রেলওয়ে সুত্র জানায়, ইন্দোনেশিয়া থেকে কেনা কোচ তৈরীতে ফ্রান্সের সর্বাধুনিক কারিগরী প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। ইন্দোনেশিয়ার বেসরকারী রেল কোচ তৈরীর প্রতিষ্ঠান ইনকা লিমিটেড কোচগুলি তৈরী করা হয়েছে। কোচগুলো ক্রয়ে এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) বাংলাদেশ রেলওয়েকে ঋন সহায়তা দিয়েছে।
/এইচকে/







