মাদক উদ্ধারের নামে এক ব্যক্তিকে মারধর করায় দিনাজপুরে ডিবি পুলিশের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষের ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
দিনাজপুরের পুলিশ সুপার মো. হামিদুল আলম জানান, রংপুর রেঞ্জের ডিআইজির নির্দেশে ঘটনা তদন্তে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহফুজ্জামান আশরাফের নেতৃত্বে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। গঠিত কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন দিনাজপুর সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহমুদুল হাসান ও জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক (ডিআই ওয়ান) মাসুদ আল হাসান চৌধুরী। কমিটিকে আজ মঙ্গলবার থেকে তিন দিনের মধ্যে ঘটনাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, রবিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৫টায় দিনাজপুর সদর উপজেলার রামসাগর এলাকার হাজীরদিঘি মোড়ে ডিবি পুলিশের উপ পরিদর্শক (এসআই ) রেজাউল করিমের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে মাহমুদপুর গ্রামের নুরুজ্জামান (২২) নামে একজনকে মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে আটক করা হয়। এলাকাবাসীর অভিযোগ, আটক নুরুজ্জামান মাদক ব্যবসায়ী নয়। ডিবি পুলিশ অসৎ উদ্দেশ্যে তাকে আটক করেছে। এ সময় তাকে ছেড়ে দেওয়াকে কেন্দ্র করে ডিবি পুলিশের সঙ্গে এলাকাবাসীর সংঘর্ষ হয়। পরে অতিরিক্ত ডিবি পুলিশ এসে গ্রামবাসীর ওপর লাঠিচার্জ করে। এতে প্রায় ১০ জন আহত হয়। পরে এলাকাবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে রাস্তা অবরোধ করলে জড়িতদের বিচারের আশ্বাসে তা তুলে নেওয়া হয়। এ সময় এলাকাবাসী পুলিশ সুপারের কাছে ডিবি পুলিশের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে অভিযোগ করে। অভিযোগ পেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ডিবি পুলিশের ১০ উপ পরিদর্শক (এসআই,), পাঁচ সহকারী উপ পরিদর্শকসহ (এএসআই ) ৩৬ জনকে বদলি করা হয়।
আরও পড়ুন:







