দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির পরিমাণ বেড়েছে। ফলে দেশের বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়ায় দুই দিনের ব্যবধানে পাইকারিতে কেজিপ্রতি দাম কমেছে ৮ থেকে ১০ টাকা। ভারতের পাশাপাশি মিয়ানমার, পাকিস্তান, মিসরসহ অন্যান্য দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি হওয়ায় দাম আরও কমতে পারে বলে জানিয়েছেন বন্দরের আমদানিকারক ব্যবসায়ীরা।
হিলি স্থলবন্দর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এর আগে গড়ে প্রতিদিন ২০ থেকে ২৫ ট্রাক করে পেঁয়াজ আমদানি হলেও বর্তমানে গড়ে প্রতিদিন ৩০ থেকে ৩২ ট্রাক পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে। গত ৩ অক্টোবর থেকে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত বন্দর দিয়ে গত ১০দিনে ২০৯টি ট্রাকে চার হাজার ১১৮ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে।
গত সেপ্টেম্বর মাসে ৬৩৯টি ট্রাকে ১২ হাজার ৯৫৩ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। এর আগে আগস্ট মাসে ৭৪১টি ট্রাকে ১৫ হাজার ৬৯ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছিল।
সরেজমিন হিলি স্থলবন্দর ঘুরে দেখা গেছে, ভারত থেকে আমদানিকৃত পেঁয়াজ প্রকারভেদে ৩০ থেকে ৩৪ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। দুদিন আগেও একই জাতের পেঁয়াজ ৪০ টাকা থেকে ৪২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।
এদিকে বাংলাহিলি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ প্রকারভেদে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। দুদিন আগেও এসব পেঁয়াজ বিক্রি হয় ৪০টাকা থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে।
হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক মো. বাবলুর রহমান ও মো. হারুন উর রশীদ হারুন বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, ভারতের বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ কম থাকায় হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানির পরিমাণ কমে গিয়েছিল। বর্তমানে ভারতের বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ কিছুটা বাড়ায় হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানির পরিমাণও বেড়ে গেছে। দেশের বাজারে সরবরাহ বাড়ার ফলে পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে।
ভারতে এখনও প্রচুর পরিমাণ পেঁয়াজবাহী ট্রাক বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় আছে বলেও জানান তারা।
হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. সোহরাব হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি স্বাভাবিক রয়েছে। আগের তুলনায় গাড়ির সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে।’
আরও পড়ুন- হিলি বন্দরে কাঁচা মরিচের দাম কমেছে








