চালের বাজার নিয়ন্ত্রণ ও মজুদ বন্ধ করতে আমদানিকারক, আড়তদার, পাইকার ও খুচরা বিক্রেতাদের ৩০ অক্টোবরের মধ্যে নতুন লাইসেন্স নিতে নির্দেশ দিয়েছিল খাদ্য অধিদফতর। নির্ধারিত সময় পার হলেও নীলফামারীর বেশিরভাগ আমদানিকারকরা (বড় ব্যবসায়ী) লাইসেন্স নেয়নি। তবে এখনও লাইসেন্স করার প্রক্রিয়া চলছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ২০৬ জন খুচরা ব্যবসায়ী, ৪২ জন পাইকারি ব্যবসায়ী এবং মাত্র ছয়জন আমদানিকারক লাইসেন্স নিয়েছেন।
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক জানিয়েছেন, লাইসেন্স করার প্রক্রিয়া চলমান আছে। অধিকাংশ বড় ব্যবসায়ী লাইসেন্স নেননি। লাইসেন্স নিতে তারা ব্যবসায়ীদের উদ্ধুদ্ধ করছেন। এরপরও যদি তারা লাইসেন্স না নেয়, তবে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গত ২ অক্টোবর খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এক বৈঠকে খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম চালের আমদানিকারক, মজুতদার,আড়তদারসহ সব চাল ব্যবসায়ীকে নতুন করে লাইসেন্স নেওয়ার নির্দেশ দেন। এছাড়া ১৫ দিন পরপর গুদামের মজুদ থাকা চাল, গমের হিসাব স্থানীয় খাদ্য অধিদফতরকে অবহিত করতে বলেন।
নীলফামারী জেলা শহরের কিচেন মার্কেটের চাল ব্যবসায়ী ও অলিমা ট্রেডার্সের মালিক আনোয়ারুল ইসলাম বাবুল বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘লাইসেন্স করার নির্দেশ থাকলেও সব আমদানিকারক এখনও তা করনেনি।’
সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক তৌহিদুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, এখনও অর্ধ শতাধিক বড় ব্যবসায়ী লাইসেন্স নেননি।
নীলফামারী খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) এসএম কায়সার আলী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, লাইসেন্স নেওয়ার ব্যাপারে বড় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে খুব একটা সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। সে তুলনায় মাঝারি ও ছোট ব্যবসায়ীরা বেশি আগ্রহ প্রকাশ করছেন। তবে এখনও অনেকেই লাইসেন্স নিতে আসছেন। তাদের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। এরপরেও যারা লাইসেন্স নেবেন না তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবো।








