দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে দুই দিনের ব্যবধানে পাইকারিতে কেজি প্রতি পেঁয়াজের দাম কমেছে ১২ থেকে ১৫ টাকা। বর্তমানে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে প্রকারভেদে ৩৪ থেকে ৩৮ টাকা। যা দুদিন আগেও প্রকারভেদে ৪৯ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। সামনে পেঁয়াজের দাম আরও কমবে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
সরেজমিন হিলি স্থলবন্দর ঘুরে দেখা গেছে, ভারত থেকে আমদানিকৃত নাসিক, ইন্দোর, ষোলাপুর জাতের গোটা পেঁয়াজ পাইকারিতে (ট্রাকসেল) ৩৮ টাকা কেজি দরে এবং এসব জাতের ছোট দানার পেঁয়াজ ৩৪ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। দুদিন আগে এসব পেঁয়াজ ৪৯ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছিল। এদিকে পাইকারিতে পেঁয়াজের দাম কমলেও খুচরা বাজারে এর প্রভাব এখনও পড়েনি। হিলি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ভারত থেকে আমদানিকৃত পেঁয়াজ ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর দেশি পেঁয়াজও একই দামে বিক্রি হচ্ছে। দুদিন আগেও এসব জাতের পেঁয়াজ একই দামে বিক্রি হয়েছিল।
হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক হারুন উর রশীদ হারুন ও পেঁয়াজ ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, সম্প্রতি ভারতের বাজারে সুখসাগর নামের নতুন জাতের পেঁয়াজ উঠতে শুরু করায় ভারতের বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ আগের তুলনায় খানিকটা বেড়ে গেছে। এতে করে ভারতের বাজারে পেঁয়াজের দাম দুদফায় কমেছে। এর ফলে দেশের বাজারেও পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে। এছাড়াও বাজারে দেশীয় পেঁয়াজের জোগান ভালো থাকায় আমদানিকৃত পেঁয়াজের দামের ওপরও প্রভাব ফেলছে। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে পেঁয়াজ উঠতে শুরু করবে। এতে করে পেঁয়াজের দাম আরও কমে আসবে বলে তারা জানিয়েছেন।








