অষ্টাদশ শতাব্দীতে তথ্য প্রযুক্তিহীন নিভৃত পল্লীতে ক্ষণজন্মা সাধক কবি কাজী হায়াত মাহমুদের সৃজনশীল কর্ম সমাজের নৈতিকতা বোধকে জাগ্রত করেছে বলে মন্তব্য করেছেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। স্পিকার বলেন, ‘তিনি ছিলেন একজন আলোকিত সত্য মানুষ। জ্ঞান ও সাহিত্য চর্চায় কাজী হায়াত মাহমুদের লেখনী ভবিষ্যৎ তরুণ প্রজন্মকে অনুপ্রেরনা যোগাবে।’
শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কবি কাজী হায়াৎ মাহমুদের মৃত্যুবার্ষিকীর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কবির মাজার প্রাঙ্গণে আলোচনা সভার আয়োজন করে রংপুর জেলা প্রশাসন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ঝাড়বিশলা হায়াতুল উলুম আলীম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আব্দুস সালেক সরকার।
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী আরও বলেন, ‘আধ্যাত্মিক সাধক কবি হায়াত মাহমুদ ছিলেন একজন দার্শনিক। তার দর্শনের প্রতিফলন আজকের এই আলোকিত ঝাড়বিশলা। এই দর্শন ছড়িয়ে দিতে হবে বাংলার প্রতিটি প্রান্তে।’ তার সাহিত্য ও আধ্যাত্মিক কর্ম নিয়ে গবেষণা করার জন্য তরুণ প্রজন্মের প্রতি তিনি আহ্বান জানান।
এর আগে স্পিকার প্রয়াত সাধক কবি কাজী হায়াৎ মাহমুদের সমাধিস্থল পরিদর্শন করেন এবং দোয়া মাহফিলে অংশ নেন।
তার আগে তিনি ভেন্ডাবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। পরে স্পিকার শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন।
রংপুরের জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পৌর মেয়র আবু সালেহ মো. তাজিমুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।








